দ্য ওয়াল ব্যুরো : তিনি মাঠের মতোই, বাইরেও সমান মেজাজী। যুক্তি সহকারে এমন রসিকবোধ দেখে অনেকেই বীরেন্দ্র সেহওয়াগের খুবই গুণগ্রাহী হয়ে উঠেছেন। তিনি প্রাণখোলাও। সেই কারণ ধারাভাষ্যকার হিসেবে বীরু জনপ্রিয়ও।
‘বীরু কি বৈঠক’ শীর্ষক এক মিডিয়া শো-তে বীরুকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, আপনার মতে ব্রায়ান লারার টেস্টে ৪০০ রানের রেকর্ড কে ভাঙতে পারেন? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি ভারতের নামী প্রাক্তন ক্রিকেটার জানিয়ে দেন, ‘‘অনেকেই হয়তো ভাববেন আমার তালিকায় বিরাট কোহলির নাম থাকবে না, তা কিন্তু নয়। আমার বিচারে দু’জন ভাঙতে পারে ওই রেকর্ড, তারা হল রোহিত শর্মা ও ডেভিড ওয়ার্নার।’’
২০০৪ সালে অ্যান্টিগুয়াতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে লারা করেছিলেন এই ৪০০ রানের মহানজির। সেটি এখনও ১৬ বছরে কেউ ভাঙতে পারেননি। সেহওয়াগ অবশ্য নিজে দু’বার তিনশো রানের গন্ডি পেরিয়েছিলেন। কিন্তু সেই ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছতে পারেননি। বীরুর ৩০৯ ছিল মূলতানে পাক দলের বিপক্ষে।
২০০৮ সালে চেন্নাইতে ভারতের এই নামী তারকা করেন ৩১৯ রান দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। এই কারণেই ভারতের কিংবা বিশ্বের এমন কোনও তারকা রয়েছেন, যিনি লারার ওই নজির ভাঙতে পারেন, সেটি নিয়েই জানতে চাওয়া হয় মারকুটে ওপেনারের কাছে।
সেহওয়াগ অবশ্য পরিষ্কার বলেছেন, আমার বিচারে দুইজন রয়েছে যারা ৪০০ রানের রেকর্ড টপকে যেতে পারে। প্রথমজন রোহিত শর্মা, আর শেষজন ওয়ার্নার। ‘নজফগড় বাদশা’ ব্যাখ্যা করেছেন, ‘‘রোহিত এর আগেও বড় ইনিংস খেলেছে। জানে বড় রান কী করতে হয়। এমনকি ওয়ার্নারও তাই। ওদের বড় রান করার একটা অভ্যাস রয়েছে।’’
লারা ওই একবারই নন, এর আগেও প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে ৫১৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। সেই নজিরও এখনও অক্ষত। বীরু বলেছেন, ‘‘লারা ছোট ছোট লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামত। একই কথা তিনি বলেছেন নিজের ট্রিপল সেঞ্চুরি করা নিয়েও। আমিও তাই লক্ষ্যে ব্যাটিং করে গিয়েছিলাম। প্রথমে টার্গেট ছিল ৫০ করব, তারপর ১০০, এইভাবে আমি এগিয়েছিলাম।’’ সেহওয়াগ এও জানিয়ে রেখেছেন, ‘‘খুব দ্রুত এই রেকর্ড কেউ ভাঙতে পারবে না। এই ইনিংস খেলতে গেলে মানসিক কাঠিন্য দরকার।’’