
আর্থিক জালিয়াতির ফাঁদে পড়েছিলেন সঞ্জয় মঞ্জরেকর
শেষ আপডেট: 11 February 2025 14:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আর্থিক জালিয়াতি। এটা আজকের দিনে খুব চেনা শব্দ হয়ে উঠেছে। শুধুমাত্র সাধারণ মানুষই নন, সমাজের হাই প্রোফাইল ব্যক্তিত্বরাও হামেশাই এই জালিয়াতির শিকার হচ্ছেন। সম্প্রতি, এমনই একটি ফাঁদে পা দিচ্ছিলেন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার সঞ্জয় মঞ্জরেকর। ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করার পর আপাতত ধারাভাষ্যকার এবং বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করছেন তিনি। সম্প্রতি এমনই এক আর্থিক জালিয়াতির কথা শেয়ার করেছেন সঞ্জয়। যদিও নিজের ভুল বুঝতে পেরে আগেভাগেই তিনি সাবধানতা অবলম্বন করেন। শেষপর্যন্ত এই জালিয়াতির হাত থেকে রক্ষা পান তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডল এক্স-য়ে তিনি এই ঘটনার কথাই শেয়ার করেছেন।
অনলাইন জালিয়াতির সহজতম পন্থা হল হোয়াটসঅ্যাপ। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে আর্থিক সাহায্যের আবেদন করা হয়। অনেকে আবার আত্মীয়ের অসুস্থতার কথা বলে জরুরি ভিত্তিতে আর্থিক সাহায্য চেয়ে থাকেন। সঞ্জয় মঞ্জরেকরের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় ঘটনার শিকার হয়েছেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় সঞ্জয় মঞ্জরেকর লিখেছেন, 'পরিচিত একজনের থেকে আচমকাই মেসেজটা পেয়েছিলাম। ২৫ হাজার টাকা সাহায্যের আবেদন করা হয়েছিল। বুঝতেই পেরেছিলাম যে ওর ফোন নম্বরটা হ্যাক করা হয়েছে। আমি পাল্টা প্রশ্ন করি, কীভাবে তোমাকে টাকাটা পাঠাব, জিপে করি? সঙ্গে সঙ্গে আরও একটা নম্বর আমাকে পাঠানো হয়। সেখানে টাকা পাঠানোর পাশাপাশি একটি স্ক্রিন শটও পাঠাতে বলা হয়। আমি ফের প্রশ্ন করি, তোমাকে আড়াই লাখ টাকা পাঠাতে পারি? এরপর অবশ্য ওই নম্বর থেকে আর কোনও মেসেজ আসেনি।'
২০২৪ সালে একটি সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, গত তিন বছরে ভারতবর্ষের প্রায় অর্ধেক জনগণ এই আর্থিক জালিয়াতির শিকার হয়েছেন।
ওই সমীক্ষা অনুসারে, গত তিন বছরে দেশের ৪৭ শতাংশ জনগণ এই আর্থিক জালিয়াতির শিকার হয়েছেন। ইউপিআই এবং ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীদের সবথেকে বেশি এই সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে।
দেশের ৩০২ জেলার ২৩,০০০ জনগণ জানিয়েছেন যে বিভিন্ন মার্চেন্ট কিংবা ওয়েবসাইটে ক্রেডিট কার্ডের সুদ দিতে গিয়ে তাঁরা এই আর্থিক তছরূপের সম্মুখীন হয়েছেন। এই ব্যাপারে আরও বেশি সতর্কতা অবলম্বন করার কথা বলা হয়েছে।