
ডোম্মারাজু গুকেশ
শেষ আপডেট: 22 April 2024 15:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতের দক্ষিণী শহর থেকে আরও এক দাবা নক্ষত্রের উত্থান। কলকাতা একটা সময় যা করে দেখাত, চেন্নাই সেটাই করে দেখাচ্ছে দাবায়। আনন্দের ক্লাব ছিল তালদাবা। কলকাতায় যেমন আগে ছিল আলেখিন চেজ ক্লাব। এই ক্লাবে এখনও দাবা শেখানো হয়, কিন্তু শেখানোর চেয়ে ব্যবসা হয় বেশি, দেখনদারি অনেক, তাই ক্রমে পিছিয়ে আসছে।
এমনকী দিব্যেন্দু বড়ুয়াদেরও অ্যাকাডেমি রয়েছে দক্ষিণ কলকাতায়। কিন্তু সেটা দেখলে ছোটখাটো থ্রি স্টার হোটেল মনে হবে। সেখানেও অভিভাবকদের মধ্যে পাল্লা দেওয়া মনোভাব বেশি, দাবা শিক্ষার প্রসার কম।
চেন্নাই থেকে দাবা প্রতিভার শেষ নেই। সাম্প্রতিক সংযোজন ডোম্মারাজু গুকেশ। যাঁর দাবার হাতেখড়ি মাত্র সাত বছর বয়সে। বাকি দশ বছরে তিনি যাতে হাত দিয়েছেন, সেটাই সোনা হয়ে গিয়েছে। বাবা রজনীকান্ত ইএনটি ডাক্তার, মা মাইক্রোবায়োলজিস্ট। বাড়িতে সেইভাবে দাবার চল নেই, কিন্তু চেন্নাই চেজ স্কুলে ভর্তি হওয়ার পর থেকে গুকেশের অভাবনীয় সাফল্য। সেই স্কুলের শিক্ষক রমেশও দেশের বুকে আরও এক গ্র্যান্ডমাস্টার ছিলেন।
গুকেশের অভাবনীয় সাফল্যের পরে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন। তিনি এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, গুকেশ প্রমাণ করেছে দক্ষতা, পরিশ্রম ও একাগ্রতা রাখতে পারলে অসাধ্যসাধন সম্ভব। আমাদের এই ছেলেটি সারা বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সে বিশ্ব দাবা ফাইনাল খেলার সুযোগ আদায় করে নিয়েছে। তাঁকে নিয়ে আমরা গর্বিত। দারুণ সাফল্য।
গুকেশ শুরু থেকেই সাড়া জাগিয়েছেন। তিনি নয় বছর বয়সে এশিয়ান দাবায় সেরা হয়েছিলেন সিনিয়র বিভাগেই। ১৭ বছরেই ভারতের একনম্বর দাবাড়ু হন বিশ্বনাথন আনন্দকে টপকে। ১২ বছর সাত মাস বয়সে গুকেশ প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নর্ম পেয়েছিলেন, সেটিও কৃতিত্বের দিক থেকে ইতিহাস ছিল।