
মোহনবাগানের এশীয় কোটার তারকা ফুটবলার দিমিত্রি পেত্রাতোস।
শেষ আপডেট: 20 May 2024 19:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইএসএলের দশ দলের এশীয় কোটা থাকা বাধ্যতামূলক ছিল। ছয় বিদেশির মধ্যে একজন বা একাধিক এশীয় কোটার ফুটবলার রাখত দলগুলি। মোহনবাগানে যেমন রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার দিমিত্রি পেত্রাতোস, জেসন কামিন্স, ব্যান্ডন হ্যামিলরা। ইস্টবেঙ্গলে যেমন খেলেছেন হিজাজি মাহের।
আগামীবার থেকে এশীয় কোটা তুলে দিচ্ছে ফেডারেশন। এদিন দিল্লিতে এক বৈঠকে মিলিত হয় এআইএফএফ-র ফুটবল পরামর্শদাতা কমিটি। তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এবার থেকে এশীয় কোটা পালন করার দরকার নেই। মোট ছয় বিদেশি ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করতে পারে ক্লাবগুলি। খেলতে পারবেন চার বিদেশি ফুটবলার। তার মধ্যে একজন এশীয় কোটার ফুটবলার রাখতেই হতো। সেটি বদলে ‘ওপেন’ করে দিচ্ছে ফেডারেশন। এখন আর দলগুলিকে অস্ট্রেলিয়া, জাপান, কোরিয়া, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া থেকে ফুটবলার এনে খেলাতে হবে না।
এমনকী সামনের বার ফুটবলারদের বেতন কাঠামোরও বদল হচ্ছে। ফুটবলারদের গ্রেডেশন করে তাঁদের বেতন কাঠামো নিশ্চিত করা হবে। কেউ ইচ্ছে করে নিজের মতো খুশিমতো দর হাঁকাতে পারবে না। এটিও ভারতীয় ফুটবলে একেবারে অভিনব বিষয় হয়ে থাকবে। বিদেশিদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম। অনেক বিদেশির এজেন্টরা দর ঠিক করে সেই থেকে নিজেদের কমিশন রেখে দেন। এবার ফেডারেশন সেই বিষয়ে ফুটবলারদের দর বেঁধে দেবে। এমন নিয়ম বিদেশের ফুটবলে রয়েছে।
এদিকে, সামনের বার থেকে আইএসএলে খেলতে পারে ১৪টি দল। সেক্ষেত্রে ২০২৬ সাল থেকে আইএসএলে দুটি দলের অবনমন হবে। আই লিগের দুটি দলকে সরাসরি আইএসএলে খেলার ছাড়পত্র দেওয়া হবে। এমনটাই জানা গিয়েছে ফেডারেশন সূত্রে।