
ইয়ামাল ও মেসি
শেষ আপডেট: 1 May 2025 13:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একজন প্রাক্তন। অন্যজন বর্তমান। অথচ দুজনেই একই ক্লাবের নায়ক। একজন অবিসংবাদিত। অন্যজন নায়কত্ব অর্জনের পথে। রাইট উইং বিচরণক্ষেত্র। ক্ষিপ্র গতি, তুখোড় ড্রিবলিং ও অনবদ্য ফার্স্ট টাচ দুজনের ইউএসপি। একইভাবে মার্কারদের লক্ষণরেখা ভেঙে, আস্ত ডিফেন্সকে ঘোল খাইয়ে একক দক্ষতায় গোল করতে সিদ্ধহস্ত দুজনেই।
খেলার ধরনে প্রভূত মিল দেখে অনুরাগী, বিশেষজ্ঞরা তুলনা টানবেন এটাই সত্যি। কিন্তু বার্সেলোনার (Barcelona) নয়া মাসিহা লামিন ইয়ামাল (Lamine Yamal) লিওনেল মেসির (Lionel Messi) সঙ্গে এক আসনে বসতে নারাজ। দূরত্ব টেনে জানালেন, তিনি শুধু মেসি কেন, কারও সঙ্গে নিজের তুলনা করতে চান না। দুজনেই একই ক্লাবের হয়ে, একই পজিশনে খেলেছেন, এটা সত্যি। কিন্তু তার জন্য তাঁকে মেসির উত্তরসূরী বলার কোনও মানে হয় না।
শেষবার বার্সেলোনা চ্যাম্পিয়স লিগের (Champions League) ফাইনালে উঠেছিল ২০১৫ সালে। তারপর থেকে প্রতি বছর খালি হাতে ফিরতে হয়েছে তাদের। বহু বছর বাদে খেতাব জয়ের শেষ ধাপে পৌঁছতে পারে বার্সা। কিন্তু তার জন্য সান সিরোয় গিয়ে ইন্টার মিলানকে হারাতে হবে। গতকাল সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ইতালির ক্লাবের বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়ে সমতা ফেরায় হান্সি ফ্লিকের টিম। উত্তেজক লড়াই খতম হয় ৩-৩ স্কোরলাইনে। আর এই কামব্যাকের অন্যতম কাণ্ডারী ইয়ামাল। দলের প্রথম গোল করেন, সেটাও স্বপ্নের নায়ক মেসির স্টাইলে। তারপর ডামি খেলে তৃতীয় গোলের রাস্তা খুলে দেন।
????????????????????????????????! ????
— Sony Sports Network (@SonySportsNetwk) April 30, 2025
Lamine Yamal pulls one back for Barcelona. #SonySportsNetwork #ChampionsLeague #BARINT #UCLHindi pic.twitter.com/lhS2JBzcm9
মেসির মতোই বার্সার অ্যাকাডেমি লা মাসিয়ায় গড়েপিটে নিজেকে তৈরি করেছেন ইয়ামাল। চ্যাম্পিয়নস লিগ ক্লাবের হাতে উঠবে কি না, তা নির্ধারণে স্পেনের তরুণ ফুটবলার বড় ভূমিকা নিতে পারেন বলে মনে করছেন অনেকে। মেসির মতো তিনিও কি পারবেন একা হতে দলকে সাফল্য এনে দিতে?
এই নিয়ে তুলনার কথা উঠলেও মানতে নারাজ ইয়ামাল। বলেছেন, “ওঁর সঙ্গে নিজের তুলনা করি না। তার কারণ আমি কখনই নিজের সঙ্গে কারও তুলনা টানিনি। তা ছাড়া মেসির চাইতে আমি অনেক খাটো। দল হিসেবে আমরা প্রতিদিন উন্নতি করার চেষ্টা করছি। এই অবস্থায় মেসির সঙ্গে মিল খোঁজার মানে হয় না। আমি নিজের খেলা উপভোগ করতে চাই। অবশ্যই আমি ওঁকে সম্মান করি। মেসিই ফুটবলের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ ফুটবলার।‘’
আগামী সপ্তাহে সান সিরোয় ইন্টারের বিরুদ্ধে ক্লাবের হয়ে শততম ম্যাচ খেলতে নামবেন। তার আগে আসন্ন লড়াই নিয়ে উত্তেজিত ইয়ামাল। বললেন, ‘’আমি সত্যি ভীষণ আনন্দিত। জীবনের প্রথম ইউরোপীয় সেমিফাইনাল। শুধু আমার নয়। দলের অনেকের জন্যই এই নজির প্রথম। কিন্তু আজ প্রথম লেগ খেলতে নামার আগে এতটুকু ভয় ছিল না। যদি পেটে খিদে থাকে, তাহলে সব সহজ। ভয় জিনিসটা অনেক আগেই আমার বেড়ে ওঠার শহর মাতারোয় ছেড়ে এসেছি আমি।‘