দ্য ওয়াল ব্যুরো: একদিকে ২৭ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ডের ক্রিকেট দল। দেশবাসীকে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন মরগ্যান, রুটরা। অন্যদিকে উইম্বলডনের ফাইনালে মুখোমুখি রজার ফেডেরার ও রাফায়েল নাদাল। একই দিনে, একই সময়ে এই দুই জোড়া ফাইনাল ইংল্যান্ডে। এই পরিস্থিতিতে কোনদিকে বেশি নজর থাকবে ইংল্যান্ড বাসীর! সমর্থন কি ভাগ হয়ে যাবে দু'দিকে? নাকি উইম্বলডনের উত্তাপকে কমিয়ে দেবে দেশের যুদ্ধ।
১৯৯২ সালে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার পর থেকে বিশ্বকাপের ফাইনাল কেন, সেমিফাইনালেও উঠতে পারেনি ইংল্যান্ড। গত বারেও বাংলাদেশের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল গ্রুপ থেকেই। সেই ইংল্যান্ড এ বার দেশের মাটিতে ফাইনালে। সেমিফাইনালে অন্যতম ফেভারিট অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে তারা। আর তাই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাদেরকে ফেভারিট ধরছেন সবাই। ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন জেসন রয়, জনি বেয়ারস্টরা।
অন্যদিকে গ্র্যান্ডস্ল্যামের রাজা বলা হয় উইম্বলডনকে। আর এই ঘাসের কোর্টে প্রায় এক দশক ধরে রাজত্ব করেছেন রজার ফেডেরার। কেরিয়ারের শেষ দিকে এসেও সেই একই আগুন ঝরাচ্ছেন তিনি। শুক্রবার সেমিফাইনালে নাদালকে হারিয়েছেন ফেডেরার। ফাইনালে তাঁর প্রতিপক্ষ বিশ্বের এক নম্বর নোভাক জোকোভিচ। আর তাই ফাইনালে এক টানটান লড়াইয়ের অপেক্ষায় টেনিস দুনিয়া। উইম্বলডনে ফেডেরারের রেকর্ডের জন্য ইংল্যান্ডের সমর্থকদের কাছে তিনি এক প্রিয় নাম। আর তাই ফাইনালে তাঁদের লড়াই দেখতে সেন্টার কোর্ট ভর্তি থাকার কথা।
কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়। বিশ্বকাপের ফাইনাল শুরু হবে দুপুর ৩টে থেকে। উইম্বলডন ফাইনাল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়। অর্থাৎ একই সময়ে দুটো খেলা হবে। যাঁরা মাঠে গিয়ে খেলা দেখবেন, তাঁরা হয়তো নিজেদের পছন্দের ম্যাচ বেছে নিয়েছেন। কিন্তু যাঁরা চোখ রাখবেন টিভির পর্দায়, তাঁরা কোনদিকে সমর্থন করবেন। কোন চ্যানেলে বেশি মানুষ চোখ রাখবেন, তার দিকে কিন্তু নজর রয়েছে ব্রডকাস্টিং চ্যানেলের। সেখানেও সমানে সমানে টক্কর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এখন দেখার টেনিস, না ক্রিকেট। ভক্তদের উন্মাদনা কাকে নিয়ে বেশি হয়।