Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশু

মেগা ফাইনাল: মরগ্যানের টিমগেম, না উইলিয়ামসনের ম্যাচ রিডিং, পাল্লা ভারী কার!

দেবার্ক ভট্টাচার্য্য বিশ্বকাপের ফাইনাল। একদিকে হোমটিম ইংল্যান্ড। অন্যদিকে গত বিশ্বকাপের রানার্স আপ নিউজিল্যান্ড। একদিকে জো রুট, অন্যদিকে কেন উইলিয়ামসন। একদিকে জোফ্রা আর্চার, ক্রিস ওকস, অন্যদিকে ট্রেন্ট বোল্ট, লকি ফার্গুসন। সেয়ানে সেয়ানের এই

মেগা ফাইনাল: মরগ্যানের টিমগেম, না উইলিয়ামসনের ম্যাচ রিডিং, পাল্লা ভারী কার!

শেষ আপডেট: 14 July 2019 08:14

দেবার্ক ভট্টাচার্য্য

বিশ্বকাপের ফাইনাল। একদিকে হোমটিম ইংল্যান্ড। অন্যদিকে গত বিশ্বকাপের রানার্স আপ নিউজিল্যান্ড। একদিকে জো রুট, অন্যদিকে কেন উইলিয়ামসন। একদিকে জোফ্রা আর্চার, ক্রিস ওকস, অন্যদিকে ট্রেন্ট বোল্ট, লকি ফার্গুসন। সেয়ানে সেয়ানের এই টক্করে কে এগিয়ে। কারই বা বেশি সুযোগ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। এ বার বিশ্বকাপে মূলত টিমগেমের দিকেই নজর দিয়েছে ইংল্যান্ড। তাঁদের দলে বিশাল বড় নাম হয়তো কম, কিন্তু কার্যকরী ক্রিকেটার ভর্তি। আর তাই কখনও বেয়ারস্ট, কখনও রুট বা মরগ্যানের ব্যাট, আবার কখনও বেন স্টোকসের অলরাউন্ড পারফরম্যান্স কিংবা আর্চার-ওকসের বিধ্বংসী বোলিংয়ে ভর করে ম্যাচ জিতেছে তারা। প্রায় প্রত্যেক ক্রিকেটার নিজের কাজ করে গিয়েছেন। সবাই ভালো ফর্মে। আর এই টিমগেমই আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে মরগ্যানদের। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডকে কিন্তু ফাইনালে তোলার ক্ষেত্রে ওয়ান ম্যান আর্মির মতো লড়েছেন কেন উইলিয়ামসন। ব্যাটসম্যানদের মধ্যে উইলিয়ামসন ছাড়া বাকিরা সেভাবে নজর কাড়তে পারেননি। অবশ্য দুই অলরাউন্ডার জেমস নিশাম ও কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম কিছু ম্যাচে ভালো পারফর্ম করেছেন। নিউজিল্যান্ডের শক্তি তাদের বোলিং ব্রিগেড। বোল্ট, ফার্গুসন, ম্যাট হেনরির পেস ও তার সঙ্গে মিচেল স্যান্টনারের স্পিন বিপক্ষ ব্যাটিং লাইনআপকে ধসিয়ে দিয়েছে। সেমিফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধেও একই ছবি দেখা গিয়েছে। একদিকে যখন ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড, তখন কিউয়িদের ফাইনালে তুলেছে তাদের বোলিং ব্রিগেড। আর এখানেই নিউজিল্যান্ডের থেকে কিছুটা এগিয়ে ইংল্যান্ড। কারণ ফাইনাল মানেই অসম্ভব চাপের খেলা। আর এই চাপের মধ্যে দু-একজন ব্যাটসম্যান ব্যর্থ হতে পারেন। সে ক্ষেত্রে বাকিদের দায়িত্ব নিতে হয়। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন আপের দিকে তাকালে বোঝা যাবে, কেন উইলিয়ামসন ব্যর্থ হলে তা সামাল দেওয়ার মতো ব্যাটসম্যান কম। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের দলে যে কেউ ভালো ইনিংস খেলার ক্ষমতা রাখে। অন্যদিকে আবার কিউয়িদের অন্যতম ভরসা উইলিয়ামসনের ক্ষুরধার মস্তিষ্ক ও ম্যাচ রিডিং ক্ষমতা। কোন পরিস্থিতি থেকে কীভাবে ম্যাচ বের করতে হবে, তা তিনি খুব ভালোভাবেই জানেন। আর তাই সীমিত রিসোর্স নিয়েও দলকে ফাইনালে তুলেছেন। চাপের মধ্যেও তাঁর বরফ শীতল মানসিকতা দলের অন্যতম সম্পদ। তাই বলা যায়, ফাইনালে কিন্তু দক্ষতার নয়, লড়াই হবে মানসিকতার। যে দল চাপ সামলাতে পারবে, তাদের হাতেই উঠবে বিশ্বকাপ। দু'দলই তাদের সেমিফাইনালের দল অপরিবর্তিত রেখেই ফাইনালে নামবে আশা করা যায়। তাই টক্কর হবে সমানে সমানে। তবে সাম্প্রতিক ফর্ম ও দল বিচার করলে বলা যায়, একটু হলেও এগিয়ে রয়েছে ইংল্যান্ড। একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে, রবিবার লর্ডস কিন্তু গলা ফাটাবে হোম টিমের হয়েই।

```