
শেষ আপডেট: 18 April 2019 06:43
অবশ্য পরের মিনিটেই ম্যান সিটিকে সমতায় ফেরান বার্নার্ডো সিলভা। ২১ মিনিটের মাথায় ডানপ্রান্ত ধরে কেভিন দি’ব্রুইনার ক্রসে মাথা ঠাণ্ডা করে সিটিকে ফের এগিয়ে দেন স্টারলিং। প্রথম ২১ মিনিটেই ৩-২ গোলে এগয়ে যায় সিটি। প্রথমার্ধে আরও বেশ কয়েকবার দু’দলই সুযোগ পায়। কিন্তু গোল আসেনি।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মকভাবে শুরু করে ম্যান সিটি। তার ফলও মেলে। ৫৯ মিনিটের মাথায় গোল করে সিটিকে এগিয়ে দেন অ্যাগুয়েরো। এই গোলের পর এগ্রিগেটে ৪-৩ গোলে এগিয়ে যায় পেপ গুয়ার্দিওলার দল। ফলে জয়ের জন্য আরও একটা গোল দরকার ছিল টটেনহ্যামের। ৭৩ মিনিটের মাথায় ডেলে আলির কর্নার থেকে গোল করে ফের খেলার ছবি বদলে দেন লরেন্তে। এগ্রিগেট ৪-৪ হয়ে যাওয়ায় অ্যাওয়ে ব্যবধানে এগিয়েছিল টটেনহ্যাম। সময় পেরিয়ে যাচ্ছিল। গোল আসছিল না। ডিফেন্সে লোক বাড়িয়ে সব ফাঁকফোকর বন্ধ করে দিয়েছিলেন পোচেত্তিনো।
ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে ফের নাটক। ৯২ মিনিটের মাথায় অ্যাগুয়েরোর পাস থেকে গোল করেন স্টারলিং। সঙ্গে সঙ্গে এতিহাদ স্টেডিয়াম জুড়ে শুরু হয় উচ্ছ্বাস। গুয়ার্দিওলাও উৎসব শুরু করেন। অন্যদিকে মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়েন টটেনহ্যাম ফুটবলাররা। ঠিক তখনই বিগ স্ক্রিনে তিনটে লাইন ফুটে ওঠে। ‘VAR REVIEW, OFFSIDE, NO GOAL’। মুহূর্তের মধ্যে পুরো ছবিটাই বদলে যায়। এ বার উৎসব শুরু করেন অ্যাওয়ে সমর্থকরা। অন্যদিকে হতভম্ব হয়ে যান সিটি সমর্থকরা। অবশেষে অ্যাওয়ে গোলেই ম্যাচ জেতে স্পার্স।
এই জয়ের ফলে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল টটেনহ্যাম। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ আয়াক্স। এই আয়াক্সের হাতেই বধ হয়েছে রিয়েল মাদ্রিদ, জুভেন্টাসের মতো দল। অন্যদিকে এ বারেও কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে ম্যান সিটির হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের স্বপ্ন সেই অধরাই থেকে গেল গুয়ার্দিওলার।