দ্য ওয়াল ব্যুরো : ঠিক যেন সেমিফাইনালের রিপ্লে। প্রথমে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। কিন্তু ইংল্যান্ডের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে শুরু থেকেই রানের গতি ছিল কম। প্রথমে ধাক্কা দেন ওকস। মাঝের ওভারে নিয়মিত উইকেট পড়তে থাকে কিউয়িদের। ফলে বড় পার্টনারশিপ হলো না। শেষ পর্যন্ত ২৪১ রানে শেষ হলো নিউজিল্যান্ডের ইনিংস।
এ দিন শুরু থেকে অবশ্য কিছুটা আক্রমণাত্মক ভূমিকায় ছিলেন কিউয়ি ওপেনার গাপটিল। অন্যদিকে ধীরে শুরু করেন নিকোলস। শুরুতে ওকসের বলে নিকোলসকে এলবিডাবলু আউট দিলেও রিভিউ নিয়ে বাঁচেন তিনি। কিন্তু গাপটিল পারেননি। ওকসের বল তাঁর প্যাডে লাগলে আম্পায়ার আউট দেন। রিভিউতেও দেখা যায় আউট ছিলেন তিনি। গাপটিল ১৯ করে আউট হওয়ার পর অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন পার্টনারশিপ গড়েন নিকোলসের সঙ্গে। রানের গতি কম হলেও খেলছিলেন তাঁরা।
দলের রান সেঞ্চুরি পার হওয়ার পরেই প্লাঙ্কেটের বলে ৩০ রানের মাথায় আউট হন উইলিয়ামসন। নিকোলসও ৫৫ করে প্লাঙ্কেটের বলে আউট হন। তাড়াতাড়ি দুই সেট ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড। দলের দায়িত্ব গিয়ে পড়ে রস টেলর ও টম ল্যাথামের উপর। কিন্তু ১৫ করে আউট হন টেলর। অবশ্য রিপ্লেতে দেখা যায় আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত ভুল ছিল।
জেমস নিশাম রানের গতি বাড়ানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনিও ১৯ করে আউট হন। রান পাননি ডি গ্র্যান্ডহোমও। শেষ দিকে কিছু শট খেলেন ল্যাথাম। শেষ পর্যন্ত ৪৭ করে ওকসের শিকার হন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৪১ রানে শেষ হয় তাদের ইনিংস। ইংল্যান্ডের হয়ে ওকস ও প্লাঙ্কেট ৩টি করে উইকেট নেন।
এখন সব দায়িত্ব কিউয়ি বোলারদের। ইংল্যান্ডকে হারাতে গেলে দুই ওপেনারকে জলদি প্যাভিলিয়নে পাঠাতে হবে। দেখার আগের দিনের মতোই বিধ্বংসী বোলিং শুরু করতে পারেন কিনা বোল্টরা।