দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার যেন ডবল সেলিব্রেশন বাগান তাঁবুতে। পুলিশকে গোলের মালা পরানোর পরেই বেতন সমস্যাও মিটে গেল মোহনবাগানে। শনিবার ম্যাচের পরেই সচিব অঞ্জন মিত্রর কাছ থেকে বকেয়া বেতন নিলেন ফুটবলাররা। ফলে ডার্বির আগে বেতন নিয়ে ডামাডোল মিটল বাগানে।
তবে সচিব নন, বেতন জট কাটল তিন সদস্যের প্রাক্তন বিচারপতিদের কমিটির বৈঠকে৷ শনিবার অভিজাত একটি ক্লাবে বিদায়ী সহসচিব সৃঞ্জয় বসু ও সচিব অঞ্জন মিত্রের সঙ্গে বৈঠকে বসে নির্বাচনের জন্য তৈরি হওয়া প্রাক্তন বিচারপতিদের কমিটি৷ সেই বৈঠকেই ফুটবলারদের বকেয়া বেতন কীভাবে মিটিয়ে দেওয়া হবে ঠিক হয়৷ এর আগে বেতন না মেটানো নিয়ে বিচারপতিদের কমিটির কোর্টে বল ঠেলে দিয়েছিলেন সচিব অঞ্জন মিত্র৷ জানিয়েছিলেন বিশেষ কমিটির সিদ্ধান্তের জন্যই বেতন দিয়ে সমস্যায় পড়েছেন তারা৷ সেই উক্তির পরিপ্রেক্ষিতে বৈঠক শেষে বিচারপতি অসীম কুমার রায় বলেন, কমিটির পক্ষ থেকে ফুটবলারদের বেতন আটকে রাখার কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। এর আগে কমিটির সম্পর্কে করা ভুল মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন বাগান সচিব।
ম্যাচের পর মোহনবাগান অধিনায়ক শিল্টন পালের হাতে চেক তুলে দেন অঞ্জন মিত্র৷ এরপর একে একে বাকি ফুটবলার, কোচ, সাপোর্ট স্টাফদেরও বেতন মিটিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ তবে মোহনবাগান প্রাইভেট লিমিটেড থেকে নয়, বেতন মেটানো হয় ক্লাবের কোষাগার থেকেই। কিন্তু ফুটবলাররা চুক্তিবদ্ধ মোহনবাগান প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির সঙ্গে৷ পরবর্তীকালে ক্লাব লাইসেন্সিং-য়ের সমস্যায় পড়তে পারে ঐতিহ্যশালী মোহনবাগান ক্লাব৷ সচিব অঞ্জন মিত্র ও বিদায়ী সহসচিব সৃঞ্জয় বসু অবশ্য বলেন, এই পদ্ধতিতে বকেয়া মেটানোয় কোনও সমস্যা তৈরি হবে না, হলে পরবর্তীকালে সমাধানসূত্র খোঁজা হবে৷
তবে আপাতত সেসব নিয়ে ভাবতে রাজি নন মোহনাবাগন খেলোয়াড়েরা। পুলিশ ম্যাচে পাঁচ গোলে জয়, দিনের শেষে বকেয়া বেতন, বাগান আকাশে কালো মেঘ সরে পূর্ণিমার চাঁদ উঠতে হাসি মুখে তাঁবু ছাড়লেন ফুটবলাররা৷