দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডুরান্ড কাপের প্রথম ম্যাচে মহামেডান স্পোর্টিং-এর বিরুদ্ধে খেলা শুরুর ২০ মিনিটের মধ্যেই ম্যাচ প্রায় জিতে নিয়েছিল মোহনবাগান। ঘরোয়া লিগের ম্যাচে হল ঠিক তার উল্টো। খেলা শুরুর প্রথম ১৫ মিনিটেই হেরে গেল বাগান। ওই সময়ের মধ্যে ২ গোল খেয়ে যাওয়ার পর অনেক চেষ্টা করেও আর ম্যাচে ফিরতে পারলেন না কিবু ভিকুনার ছেলেরা। রক্ষণের ফাঁক-ফোকরের খেসারত দিতে হল সবুজ-মেরুন ব্রিগেডকে। মহামেডানের কাছে ২-৩ গোলে হেরে এ বারের মতো ঘরোয়া লিগ জয়ের সব স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল।
খেলা শুরুর প্রথম মিনিট থেকেই আক্রমণ হানতে থাকে সাদা-কালো ফুটবলাররা। সাত মিনিটের মাথায় কর্নার থেকে ফিরতি বলে গোল করে মহামেডানকে এগিয়ে দেন করিম। তার চার মিনিট পরেই দ্বিতীয় ধাক্কা। ১১ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের জোরালো শটে গোল করে ব্যবধান বাড়ান গত মরসুমে বাগানে খেলে যাওয়া তীর্থঙ্কর সরকার।
তারপর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করেন সবুজ-মেরুন ফুটবলাররা। কিন্তু ছন্নছাড়া ফুটবলের ফলে আক্রমণ দানা বাঁধছিল না। এর মধ্যেই ২৫ মিনিটের মাথায় বক্সের বাইরে থেকে বাঁক খাওয়ানো ফ্রিকিকে গোল করে ব্যবধান কমান সেই বেইতিয়া। প্রথমার্ধে আর গোল হয়নি। ১-২ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেই মাঠ ছাড়ে বাগান।
দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে আক্রমণে ওঠে মোহনবাগান। কিন্তু খেলার গতির বিপরীতে ৬১ মিনিটের মাথায় বাগান ডিফেন্সের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে দলের তিন নম্বর গোল করে যান জন চিডি। তারপরে শেষ তাস হিসেবে ভিকুনা নামান সালভাদর মার্টিনেজ পেরেজকে। ৭০ মিনিটের মাথায় ব্যবধান কমান সেই পেরেজ।
তারপর আর গোল আসেনি। অনেক চেষ্টা করেও ম্যাচে সমতা ফেরাতে পারেনি সবুজ-মেরুন ফুটবলাররা। এ দিনের হারের পর ন'ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট হল বাগানের। ইতিমধ্যেই এক ম্যাচ কম খেলে তিন পয়েন্ট বেশি পিয়ারলেসের। ফলে বলাই যেতে পারে এ বারের কলকাতা লিগে আর কোনও সুযোগ থাকল না গতবারের চ্যাম্পিয়নদের।
আরও পড়ুন
https://www.four.suk.1wp.in/news-sports-peerless-on-verge-of-winning-cfl-2019/