দ্য ওয়াল ব্যুরো: ক্রিকেটের ঈশ্বর বলা হয় তাঁকে। টেস্ট ও একদিনের ক্রিকেটে সবথেকে বেশি রান, বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে সবথেকে বেশি রান তো বটেই আরও একটা রেকর্ড রয়েছে শচীনের দখলে। সেটা হল বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সবথেকে বেশি রান। বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বারবার জ্বলে উঠেছে মাস্টার ব্লাস্টারের ব্যাট। তেমনই এক ম্যাচের কথা শোনালেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফ।
বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের দাপট রয়েছে একচেটিয়া। এখনও পর্যন্ত সাতবার দু’দেশের মুখোমুখি হয়েছে। সাতবারই জিতেছে ভারত। তার মধ্যে পাঁচটি ম্যাচে খেলেছেন শচীন। আর এই পাঁচটি ম্যাচেই ভারতের জয়ের পিছনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এই ম্যাচগুলির মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ছিল ২০০৩ সালে সেঞ্চুরিয়নে খেলা ম্যাচ।
সেবারের বিশ্বকাপে পাকিস্তান প্রথমে ব্যাট করে ২৭৩ রান তোলে। জবাবে দুরন্ত শুরু করে ভারত। আর শুরুতেই শোয়েব আখতারকে পয়েন্টের উপর দিয়ে আপারকাটে ছক্কা মারেন শচীন। ১৫০ কিলোমিটার গতির বলকে অত সহজে ছক্কা মারতে দেখে চমকে গিয়েছিল ক্রিকেট দুনিয়া। সেই শটের কথাই তুললেন মহম্মদ কাইফ।
সম্প্রতি একটা শোয়ে কাইফ বলেন, “শোয়েব আখতারকে পয়েন্টের উপর দিয়ে ছক্কা মারেন ও পরের বলেই ফাইন লেগে ফ্লিক করেন। এটাই শচীনের শক্তি ছিল। উনি কখনও এলবিডাবলু হননি। উনি কখনও বল মিস করতেন না। নিজের কেরিয়ারে খুব কম বারই এলবিডাবলু আউট হয়েছেন শচীন।”
কাইফ আরও বলেন, “পয়েন্টের উপর দিয়ে শচীনের ছয় আইকনিক হয়ে গিয়েছে। বারবার ওই শট সবাই দেখে। তার আগে শচীনকে ওই রকমের শট মারতে কেউ দেখেননি। ১৫০ কিলোমিটারে বল করা কোনও বোলারকে ওরকম ভারী ব্যাট দিয়ে আপারকাট মারা মোটেও সহজ ছিল না। ১৭ বছর পরেও ওই শটের কথা সবার মনে আছে।”
সেই ম্যাচে সেহওয়াগ ও সৌরভ আউট হওয়ার পরে শচীনের সঙ্গে পার্টনারশিপ গড়েন কাইফ। দু’জনের ১০২ রানের পার্টনারশিপে ভারত জয়ের দিকে যায়। ৭৫ বলে ৯৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে আউট হন শচীন। কিন্তু ততক্ষণে ভারতের জয় অনেকটাই পাকা হয়ে গিয়েছিল। শচীনের সেই ইনিংসের অনেকটাই নন স্ট্রাইকার এন্ডে দাঁড়িয়ে দেখেছিলেন কাইফ। তাই সেই স্মৃতির কথা তুলে আনলেন ভারতীয় ক্রিকেটার।