দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত বছর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে হারের পরে থেকে ভারতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে দেখা যায়নি প্রাক্তন অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। ফের কবে তাঁকে দেখা যাবে, তা কেউ জানেন না। এর মধ্যেই একাধিক বার ধোনির অবসরের খবর ছড়িয়েছে। মাহি মুখে অবশ্য কোনও মন্তব্য করেননি। কিন্তু ধোনির হয়ে জবাব দিয়েছেন তাঁর স্ত্রী সাক্ষী। টুইটে জবাব দিয়ে সেই টুইট মুছে দিয়েছেন তিনি। কেন এটা করলেন সে ব্যাপারেও মুখ খুলেছেন সাক্ষী।
সম্প্রতি চেন্নাই সুপার কিংস-এর রূপা রমানির সঙ্গে ইনস্টাগ্রাম লাইভ চ্যাট চলাকালীন এই কথা ওঠে। সেই প্রসঙ্গে সাক্ষী বলেন, “আমার এক বন্ধু আমাকে মেসেজ করে বলে, কী হচ্ছে এসব? তারপর আমি দেখি টুইটারে হ্যাশট্যাগ ধোনি রিটায়ার্স ট্রেন্ডিং। আমার মনে হয় এর জবাব আমাকেই দিতে হবে। তাই আমি জবাব দিই। তারপর আমার কী হল জানি না, আমি টুইটটা মুছে দিই। তবে ততক্ষণে কাজ হয়ে গেছে। সবার কাছে খবর পৌঁছে গিয়েছে।”
কয়েক দিন আগে টুইটারে ট্রেন্ডিং হয়ে যায় হ্যাশট্যাগ ধোনি রিটায়ার্স। সবাই টুইট করতে থাকেন মাহির অবসর নিয়ে। কেউ বলেন, ধোনি অবসর নিয়ে নিয়েছেন, কিন্তু জানাচ্ছেন না। কেউ আবার বলেন, এভাবেই তাঁকে দল থেকে ছেঁটে ফেলা হবে। অনেকে তো এও মন্তব্য করেন, ভারতীয় দলে এভাবেই বড় প্লেয়ারদের বাদ দেওয়া হয়। কেউ নিজে থেকে সরতে চান না।
এসব মন্তব্যের জবাবে সাক্ষী টুইট করে বলেন, “এগুলো সবই গুজব। আমি বুঝতে পারছি লকডাউনের ফলে অনেকের মাথার গণ্ডগোল হয়েছে। যাঁরা এইসব কথা বলছেন, তাঁরা একটু নিজেদের নিয়ে ভাবুন।” সাক্ষীর এই টুইটও ট্রেন্ডিং হয়ে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে হ্যাশট্যাগ ধোনি নেভার রিটায়ার্স ট্রেন্ডিং হয় টুইটারে। তার কয়েক ঘণ্টা পরেই সেই টুইট মুছেও দেন সাক্ষী। সেই কারণেরই জবাব দিলেন তিনি।
লকডাউনের মধ্যে ধোনি নিজেদের বাইক নিয়েই পড়ে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন সাক্ষী। তিনি বলেন, “এই সময়ের মধ্যে সাতটা বাইক জুড়ে ফেলেছে মাহি। এগুলো সবই ওর পুরনো বাইক। প্রত্যেকটা পার্ট খুলে তারপর কিছু পার্ট কিনে বাইকগুলো আবার নতুন করে ফেলেছে ধোনি।”