দ্য ওয়াল ব্যুরো: সেমিফাইনালে মালয়েশিয়ার কাছে ভারতের পুরুষ দলের অপ্রত্যাশিত হারের পর মহিলা দলকে নিয়ে আশায় বুক বেঁধেছিলেন ভারতীয় সমর্থকরা। কিন্তু রানি রামপালরাও পারলেন না। ফাইনালে জাপানের কাছে ১-২ গোলে হেরে রুপো নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো ভারতের মহিলা হকি দলকে।
গ্রুপ পর্বের পাঁচ ম্যাচে জয়ের পর সেমিফাইনালে চিনকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে যায় ভারতের মেয়েরা। স্বভাবতই তাঁদের পারফরম্যান্স ঘিরে জেগেছিল প্রত্যাশা। কিন্তু শুক্রবার জাকার্তায় ফাইনালে হেরে রুপো নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল ভারতের মেয়েদের। সেইসঙ্গে সরাসরি অলিম্পিকে খেলার যোগ্যতা অর্জনেও ব্যর্থ হলেন রানি রামপাল অ্যান্ড কোম্পানি।
এ দিন ম্যাচের প্রথম কোয়ার্টারেই এগিয়ে যায় জাপান। প্রতি আক্রমণের সুযোগ নিয়ে বাজিমাৎ করেন জাপানি খেলোয়াড়রা। অনেকটা একই অস্ত্রে পুরুষ হকি দলকে পরাজিত করে মালয়েশিয়া।
যদিও ম্যাচের দ্বিতীয় কোয়ার্টারে গোল করে ভারতকে সমতায় ফেরান নেহা গোয়েল। প্রথমার্ধের শেষে ফলাফল ১-১ থাকলেও শেষরক্ষা হল না। তৃতীয় কোয়ার্টারে গোল করে ম্যাচে এগিয়ে যায় জাপান। ১-২ পিছিয়ে থেকে বাকি সময়টা চেষ্টা করেও সমতায় ফিরতে পারেনি ভারতের মেয়েরা। ফলে ফের একবার এশিয়াডে রুপো জিতেই ফিরতে হল ভারতকে।
১৯৮২ দিল্লি এশিয়াডে প্রথম আবির্ভাবেই সোনা জিতেছিল ভারতের মেয়েরা। এরপর এশিয়ান গেমসে ১ টি রুপো ও ৩ টি ব্রোঞ্জ জিতলেও সোনা ছিল অধরাই। তাই জাকার্তা এশিয়াডে ৩৬ বছরের সোনার খরা কাটাতে মরিয়া ছিল ভারতের মেয়েরা। সেইমতো গোটা টুর্নামেন্টে দুরন্ত হকি উপহার দেয় সোয়ের্দ মারিনের মেয়েরা।
সেমিফাইনালে চিনের বিরুদ্ধে জয় ভারতকে সোনার দিকে আরও একধাপ এগিয়ে দেয়। র্যাঙ্কিংয়ে জাপান পাঁচ ধাপ পিছিয়ে থাকায় সোনা একপ্রকার নিশ্চিত ধরেই নিয়েছিল ক্রীড়াপ্রেমীরা। কিন্তু ফাইনালের চাপ সামলাতে ব্যর্থ হলেন সুনীতা লাকরা, নবনীত কৌররা। ফলে ১৯৯৮ ব্যাংকক এশিয়াডের পর ফের আশা জাগিয়েও রুপোতেই থেমে গেল মহিলা হকি দলের দৌড়।