
শেষ আপডেট: 28 January 2019 09:17
দুজনেই হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ১১৯ রানের পার্টনারশিপ গড়েন এই দুই কিউয়ি ব্যাটসম্যান। কিন্তু নিজের হাফসেঞ্চুরি করার পরেই চাহালের বলে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ল্যাথাম। সেঞ্চুরি থেকে সাত রান দূরে ৯৩ রানের নাথায় শামির বলে আউট হন রস টেলর। এই দুজন আউট হতেই ব্ল্যাক ক্যাপসদের সব প্রতিরোধ ভেঙে পড়ে। ১৭৮ রানে ৩ উইকেট থেকে ২৪৩ রানে অলআউট হয়ে যায় নিউজিল্যান্ড। অর্থাৎ মাত্র ৬৫ রানে পড়ে বাকি ৭ উইকেট।
ভারতীয় বোলারদের মধ্যে শামি ৩টি, ভুবনেশ্বর, চাহাল ও পান্ড্য ২টি করে উইকেট নিয়েছেন। হার্দিক শুধু উইকেটই নেননি, কৃপণ বোলিং করেছেন। ফিল্ডিংয়েও তিনি ছিলেন দুরন্ত। নির্বাসন কাটিয়ে ফিরে আসার পর প্রথম ম্যাচেই তিনি জানান দিলেন এই টিমের জন্য কতটা গুরুত্ত্বপূর্ণ তিনি।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ঝোড়ো শুরু করেন শিখর ধাওয়ান। প্রায় ১০০'র স্ট্রাইক রেটে রান তুলছিলেন তিনি। সঙ্গে ধীরে খেলছিলেন রোহিত শর্মা। কিন্তু ২৭ বলে ২৮ রান করে বোল্টের বলে আউট হয়ে যান শিখর ধাওয়ান। তারপর পার্টনারশিপ গড়েন অধিনায়ক ও তাঁর ডেপুটি। দুজনে সাবলীল ব্যাটিং করতে থাকেন। যেন মনে হচ্ছিল ক্রিকেট নয়, হাইওয়েতে গাড়ি চালাচ্ছেন দুই ব্যাটসম্যান।
দুজনেই নিজের হাফসেঞ্চুরি করেন। দেখে মনে হচ্ছিল দুজনেই সেঞ্চুরি করবেন বলেই ঠিক করে এসেছেন। কিন্তু তখনই ছন্দপতন। ৬২ রানের মাথায় স্যান্টনারকে এগিয়ে এসে ছক্কা মারতে গিয়ে স্ট্যাম্প আউট হন রোহিত। কিছুক্ষণ পরেই বোল্টের বলে আউট হয়ে যান কোহলি।
কিন্তু তাতে ভারতীয় দলের কোনও সমস্যা হয়নি। কারণ মিডল অর্ডারে ছিলেন অভিজ্ঞ দীনেশ কার্তিক ও অম্বাতি রায়ুডু। বাকি রানটা দুজনেই তুলে নেন। কখনওই দেখে মনে হয়নি, চাপে রয়েছেন দুই ব্যাটসম্যান। ৪৩ ওভারেই জয় তুলে নেয় ভারত। রায়ুডু ৪২ ও কার্তিক ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন।
এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচে তিন জয় পেয়ে সিরিজ জিতে গেল ভারত। ১০ বছর পর নিউজিল্যান্ডের মাটিতে সিরিজ জিতল টিম ইন্ডিয়া। পরের দুই ম্যাচে থাকবেন না বিরাট। অধিনায়কের দায়িত্ব সামলাবেন রোহিত শর্মা। হয়তো দলেও বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। কিন্তু এখন থেকে হোয়াইট ওয়াশের স্বপ্ন দেখছে ভারত। আর তাহলেই নিউজিল্যান্ডের মাটিতে তৈরি হবে নতুন ইতিহাস।