ইডেন বেল বাজালেন আজ্জু, গম্ভীরের প্রশ্ন দুর্নীতির গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে?
দ্য ওয়াল ব্যুরো: খেলোয়াড় জীবনে তিনি ছিলেন ইডেনের ঘরের ছেলে। তাঁর একাধিক স্মরণীয় ইনিংসের সাক্ষী ইডেন। আর তাই খেলোয়াড় জীবন শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও ইডেনের একাধিক অনুষ্ঠানে দেখা গেছে তাঁকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম টি টোয়েন্টি ম্যাচে 'ইডেন বে
শেষ আপডেট: 5 November 2018 11:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: খেলোয়াড় জীবনে তিনি ছিলেন ইডেনের ঘরের ছেলে। তাঁর একাধিক স্মরণীয় ইনিংসের সাক্ষী ইডেন। আর তাই খেলোয়াড় জীবন শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও ইডেনের একাধিক অনুষ্ঠানে দেখা গেছে তাঁকে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম টি টোয়েন্টি ম্যাচে 'ইডেন বেল' বাজাতেও দেখা গেল তাঁকে। মহম্মদ আজহারউদ্দিন। আর আজহারের এই ইডেন বেল বাজানো নিয়েই বেজায় চটেছেন আরও এক ভারতীয় ক্রিকেটার। গৌতম গম্ভীর।
রবিবার ইডেনের ঐতিহ্যশালী 'ইডেন বেল' বাজিয়ে প্রথম টি টোয়েন্টির সূচনা করেন আজহার। তার আগে জগমোহন ডালমিয়া স্মারক বক্তৃতাতেও অংশ নিয়েছিলেন তিনি। আর ইডেন বেল বাজানোর পরেই টুইটারে বিসিসিআই, বোর্ডের প্রশাসনিক কমিটি ও সিএবি'র বিরুদ্ধে তোপ দাগেন গম্ভীর। টুইটে তিনি বলেন, " ইডেনে আজ হয়তো ভারত জিতেছে, কিন্তু আমি দুঃখিত, বিসিসিআই, বোর্ডের প্রশাসনিক কমিটি ও সিএবি হেরে গেছে। দুর্নীতি'র বিরুদ্ধে কোনও আপোষ নয়, রবিবার, ছুটির দিন বলে হয়তো বোর্ড কর্তারা তা ভুলে গেছেন। আমি জানি তাঁকে হায়দ্রাবাদ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে নির্বাচনে দাঁড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তা হলেও এই বিষয়টা খুব দুঃখজনক। বেল বেজেই চলেছে। ক্ষমতায় থাকা লোকেরা শুনতে পাচ্ছেন কি?"
https://twitter.com/GautamGambhir/status/1059161185411579904
২০০০ সালে ম্যাচ ফিক্সিং কাণ্ডে নাম জড়িয়েছিল আজহারউদ্দিনের৷ এরপর আজহারকে আজীবন ক্রিকেট থেকে নির্বাসনে পাঠানো হয়৷ পরবর্তী সময়ে (২০১২সালে) অবশ্য অন্ধ্রপ্রদেশ হাইকোর্ট আজহারের উপর থেকে নির্বাসন তুলে নেয়৷ ম্যাচ ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত হয়ে ৯৯ টেস্টে কেরিয়ার আটকে না গেলে একশোর বেশি টেস্ট খেলা ভারতীয় ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারতেন এই অধিনায়ক৷ নির্বাসন থেকে মুক্তি পাওয়ায় পর একাধিকবার ক্রিকেট প্রশাসনে আসার চেষ্টা করলে আজহারের সেই ইচ্ছে বাধা পেয়েছে৷
ঘুরিয়ে সেই ম্যাচ ফিক্সিং কাণ্ডের দিকেই আঙুল তুলেছেন গম্ভীর। স্পষ্ট কথা বলার জন্য এর আগে অনেকবার বিতর্কের মধ্যে পড়তে হয়েছে গম্ভীরকে। এ দিনও গম্ভীরের টুইটের পরে দু রকমের প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। কেউ বলেছেন, একদম ঠিক কথা বলেছেন গম্ভীর। যিনি ভারতের মুখ পুড়িয়েছেন, তাঁকে এইরকমের সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল না। অনেকে আবার বলেছেন, এতদিন পরে এই পুরনো কথা না তুললেই পারতেন গম্ভীর।