Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সুপার ওভারও টাই, বাউন্ডারির হিসেবে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড

দ্য ওয়াল ব্যুরো : একেই হয়তো বলে বিশ্বকাপ ফাইনাল। প্রথমে ১০০ ওভারের খেলা, তারপর সুপার ওভারেও হলো না নিষ্পত্তি। শেষ পর্যন্ত বাউন্ডারির হিসেবে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ঘরের মাঠে প্রথম বিশ্বকাপ জিতল ইংল্যান্ড। রুদ্ধ্বশ্বাস ফাইনালের প্রতি মুহূর্তে

সুপার ওভারও টাই, বাউন্ডারির হিসেবে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড

শেষ আপডেট: 14 July 2019 18:37

দ্য ওয়াল ব্যুরো : একেই হয়তো বলে বিশ্বকাপ ফাইনাল। প্রথমে ১০০ ওভারের খেলা, তারপর সুপার ওভারেও হলো না নিষ্পত্তি। শেষ পর্যন্ত বাউন্ডারির হিসেবে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ঘরের মাঠে প্রথম বিশ্বকাপ জিতল ইংল্যান্ড। রুদ্ধ্বশ্বাস ফাইনালের প্রতি মুহূর্তে হলো নাটক। কখনও ইংল্যান্ড, কখনও নিউজিল্যান্ডের দিকে ঝুঁকল খেলা। ২৪১ রান তাড়া করতে গিয়ে সেই ২৪১ রানই করল ইংল্যান্ড। ফলে ফাইনাল গড়াল সুপার ওভারে। সেখানেও একই ছবি। ইংল্যান্ডের করা ১৫ রান তাড়া করতে গিয়ে সেই ১৫ রানই করল নিউজিল্যান্ড। কিন্তু বেশি বাউন্ডারি মারার হিসেবে টেক্কা দিল ইংল্যান্ড ( নিউজিল্যান্ডের ১৪ বাউন্ডারি, ইংল্যান্ডের ২২ )। তিনবার ফাইনাল হারার পর শেষ পর্যন্ত ঘরের মাঠে কাপ তুললেন মরগ্যানরা। প্রথমে ব্যাট করে হেনরি নিকোলসের ৫৫ ও টম ল্যাথামের ৪৭ রানের দৌলতে ৫০ ওভারে ২৪১ তোলে নিউজিল্যান্ড। হোম টিমের হয়ে ওকস ও প্লাঙ্কেট ৩টি করে উইকেট নেন। প্রথমার্ধের খেলা দেখে মনে হয়েছিল এই টার্গেট হয়তো সহজেই তাড়া করে ফেলবে ইংল্যান্ড। কিন্তু নিখুঁত পরিকল্পনা করে নেমেছিলেন কেন উইলিয়ামসন। প্রথম থেকেই নির্দিষ্ট লাইন লেন্থে বল শুরু করেন ম্যাট হেনরি, ট্রেন্ট বোল্টরা। বাউন্ডারি এলেও উইকেটের সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছিল। প্রথম ধাক্কা দেন হেনরি। জেসন রয়কে ১৭ রানের মাথায় প্যাভিলিয়নে পাঠান তিনি। তারপরেই ধস নামে ইংল্যান্ডের ব্যাটিংয়ে। জো রুট ৭, ও মরগ্যান ৯ করে আউট হন। বেয়ারস্ট কিছুটা চেষ্টা করলেও ৩৬ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। ৮৬ রানে ৪ উইকেট পড়ে যাওয়ায় চাপে পড়ে গিয়েছিল হোম টিম। তারপরে লড়াই করলেন বাটলার ও বেন স্টোকস। দু'জনে মিলে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। দু'জনেই নিজেদের হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। বেশি আক্রমণাত্মক দেখাচ্ছিল বাটলারকে। কিন্তু ৫৯ রানে বাটলার আউট হয়ে যাওয়ায় ফের ম্যাচ ঘুরে যায় কিউয়িদের দিকে। একদিকে স্টোকস থাকলেও অন্য দিকে উইকেট পড়ছিল। শেষ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৫ রান। প্রথম দুই বলে রান হয়নি। তৃতীয় বলে ছক্কা মারতে যান স্টোকস। বাউন্ডারির মধ্যে বোল্ট ক্যাচ ধরলেও তাঁর পা লেগে যায় বাউন্ডারিতে। ফলে ছক্কা পান স্টোকস। পরের বলে আরও চমক। দু'রান নিতে গিয়েছিলেন স্টোকস। তাঁকে রানআউট করার জন্য রকেট থ্রো করেন গাপটিল। কিন্তু সেই বল স্টোকসের ব্যাটে লেগে চার রান ওভার থ্রো হয়ে যায়। ফলে সেই বলেও ৬ রান হয়। অর্থাৎ বলা যায়, ভাগ্য হোম টিমের সঙ্গে ছিল। কিন্তু শেষ বলে দু'রান নিতে পারেননি তিনি। ফলে খেলা গড়ায় সুপার ওভারে। স্টোকস ৮৪ করে নটআউট থাকেন। সুপার ওভারেও নাটক। প্রথমে ব্যাট করে ১৫ তোলেন বাটলার ও স্টোকস। নিউজিল্যান্ড ব্যাট করতে নামলে দ্বিতীয় বলেই ছক্কা মারেন নিশাম। ফলে খেলা ঘুরে যায় নিউজিল্যান্ডের দিকে। শেষ বলে দরকার ছিল ২ রান। কিন্তু সেই বলে রানআউট হয়ে যান মার্টিন গাপটিল। ফলে সুপার ওভারও টাই হয়। কিন্তু ম্যাচ চলাকালীন বেশি বাউন্ডারি মারার হিসেবে ম্যাচ জিতে যায় হোম টিম। এই জয়ের ফলে ২৭ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে বিশ্বকাপ জিতল ইংল্যান্ড। অন্যদিকে লড়াই করে হারল নিউজিল্যান্ড। পরপর দুই বিশ্বকাপে রানার্স আপ হয়েই থাকতে হলো তাঁদের। এখানেই ভাগ্যের মার। নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে জন্ম নেওয়া এক বাসিন্দার কাছেই বিশ্বকাপ হারতে হলো তাঁদের। সেই ক্রিকেটার আর কেউ নন, বেন স্টোকস। কিন্তু উইলিয়ামসনদের এই লড়াইকে কুর্নিশ জানালো ক্রিকেট দুনিয়া।

```