দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার গোকুলামের বিরুদ্ধে রুদ্ধাশ্বাস ম্যাচ। শুধু সেটা জিতলেই হবে না। তাকিয়ে থাকতে হবে চেন্নাই কী করে তার দিকে। কিন্তু লিগ আসুক বা না আসুক, তা নিয়ে ভাবছে না কোয়েস ইস্টবেঙ্গল। ক্লাবের শীর্ষ সূত্রের খবর, কোচ হিসেবে আলেজান্দ্রো মেনেন্ডেজের সঙ্গে আরও দুবছরের চুক্তি প্রায় পাকা।
কলকাতা লিগেও তিনি ছিলেন না। আই লিগে দলের দায়িত্ব নিয়েই ভোল বদলে দিয়েছেন টিমের। মনোবল বাড়িয়েছেন সমর্থকদের। অনেকেই মনে করছেন, ইস্টবেঙ্গলকে সুখী পরিবার হিসেবে তুলে ধরার নেপথ্যে এই স্প্যানিশ ভদ্রলোকই। যদিও সরকারিভাবে এখনও কোয়েস কর্তৃপক্ষ কিছু বলেনি। ক্লাবের একটি সূত্রের কথায়, আলেজান্দ্রোকে আরও দু’বছর কোচ রাখার ব্যাপার অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন তিনি নিজেও।
হারলেও কোচ বদলের টিপিকাল ময়দানি সংস্কৃতি থেকে বেরোতে চাইছে ইস্টবেঙ্গল। কোয়েস কর্তারা মনে করছেন, বিদেশের ফুটবলে সাফল্য পাওয়া দলগুলির পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে, তারা কোচ এবং টিমের একটা বড় অংশকে টানা কয়েক মরশুম ধরে রাখে। কলকাতাতেও সেই ধারা আনতে চাইছে ইস্টবেঙ্গল।
অতীতে আশিয়ান জয়ের সময় একই ধারায় সাফল্য পেয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। সুভাষ ভৌমিককে কোচ রেখে প্রায় পুরো দলটাকেই টানা চার মরশুম ধরে রেখেছিল লাল-হলুদ। পর্যবেক্ষকদের মতে, কোচকে রেখে ইস্টবেঙ্গল চেষ্টা করছে বিদেশি ফুটবলারদেরও ধরে রাখতে। অনেক বছর বাদে এ বার বিদেশি রিক্রুটমেন্ট নিয়ে সমর্থকরাও খুশি। একদিকে যেমন রয়েছেন একটু বেশি বয়সের বিশ্বকাপার জনি অ্যাকোস্টা, বোরহা পেরেজরা তেমনই রয়েছেন তরুণ স্যান্টোস কোলাডো। ইস্টবেঙ্গলে চাইছে কোচের মাধ্যমেই ফুটবলারদের রেখে দেওয়ার দিকে এগোতে। কারণ টনি ডোভালে, বোরহা পেরেজ এবং কোলাডোকে নিজেই পছন্দ করে লাল-হলুদ জার্সি পরিয়েছিলেন আলেজান্দ্রো।