দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাড়তি দায়িত্ব চাপল বাস্তব রায়ের কাঁধে। সিনিয়র দলের সহকারী কচের পাশাপাশি এ বার তাঁকে সামলাতে হবে ইস্টবেঙ্গলের যুবদলকেও। বুধবার কোয়েস ইস্টবেঙ্গল এফসি-র তরফে সরকারি ভাবে ঘোষণা করা হয়, আগামী মরসুমে ইস্টবেঙ্গলের ইউথ ডেভলপমেন্টের হেড স্যার হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন বাস্তব। সঙ্গে সিনিয়র দলের সহকারী কোচ হিসেবেও কাজ করবেন আলেজান্দ্রো মেনেন্ডেজের সঙ্গে।
গতবার কলকাতা লিগের আগে এটিকে থেকে লাল-হলুদে গিয়েছিলেন। তখন ইস্টবেঙ্গলের কোচ সুভাষ ভৌমিক। আশিয়ান জয়ী কোচের কথাতেই বাস্তব রায়কে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। কিন্তু পারফর্ম্যান্সের কারণে সরতে হয়েছে সুভাষকে। তারপর ইস্টবেঙ্গল এনেছে স্প্যানিশ কোচ। কিন্তু বাস্তব রায় থেকে গিয়েছেন। আলেজান্দ্রো মেনেন্ডেজও ছেঁটে ফেলেননি তাঁকে।
এ দিন ইস্টবেঙ্গলের তরফে সরকারিভাবে ঘোষনা করার পর যোগাযোগ করা হয় বাস্তব রায়ের সঙ্গে। তিনি জানান, “সুদীপদা ছেড়ে যাওয়ার পর আমি সামলাচ্ছিলাম। তবে এ বার সরকারি ভাবে ঘোষণা হল পুরো মরসুমের জন্য।” দায়িত্ব পেয়ে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত উত্তরপাড়ার ভূমিপুত্র।
তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, যুব দল নিয়ে আলেজন্দ্রোর সঙ্গে কথা বলবেন? জবাবে বাস্তব বলেন, “ওইরকম একটা মানুষকে বলব না! ওঁর সঙ্গে কথা বলেই সব করব।” ফুটবল সমালোচকদের অনেকের মতেই, কলকাতায় যে ভাবে বড় দলগুলোর সিনিয়র টিমকে গুরুত্ব দেওয়া হয়, ততটা গুরুত্ব পায় না অনূর্দ্ধ ১৯ কিংবা ১৭-র খেলোয়াড়রা। তাঁদের মতে, সাপ্লাই লাইনকে সচল রাখতে এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রসঙ্গত ইস্টবেঙ্গলের স্পন্সর হিসেবে কোয়েস আসার পর, অনেক ছবি বদলে গিয়েছে। লগ্নিকারী সংস্থার শীর্ষ কর্তা অজিত আইজ্যাক বলেছিলেন, “আমরা শুধু ট্রফি জিততে চাই না। পরিকাঠামোর মান বাড়াতে চাই।” সে দিক থেকে বাস্তবকে জুনিয়র টিমের দায়িত্ব দেওয়া তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন ময়দানের অনেক পোড় খাওয়া মানুষ। বাস্তবই হবেন জুনিয়র দল এওং সিনিয়র দলের মধ্যে মেলবন্ধনের কারিগর। প্রতিভাবানদের সিনিয়র টিমে তুলে আনতে, তাঁর উপরেই গুরু দায়িত্ব।