ব্রাজিলের চার গোলে ছারখার পেরু, স্বপ্নের ফুটবল নেমারদের
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে যেখানে শেষ করেছিল ব্রাজিল, পেরুর বিরুদ্ধে সেখান থেকেই শুরু করল খেলা। আর ফাইনাল হুইসেল বাজার পর স্কোর বোর্ডে লেখা রইল ব্রাজিল ৪- পেরু ০।
প্রথমার্ধে যে খুব আগ্রাসী ফুটবল ব্রাজিল খেলেছে তা নয়। বরং কয়েকট
শেষ আপডেট: 18 June 2021 02:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে যেখানে শেষ করেছিল ব্রাজিল, পেরুর বিরুদ্ধে সেখান থেকেই শুরু করল খেলা। আর ফাইনাল হুইসেল বাজার পর স্কোর বোর্ডে লেখা রইল ব্রাজিল ৪- পেরু ০।
প্রথমার্ধে যে খুব আগ্রাসী ফুটবল ব্রাজিল খেলেছে তা নয়। বরং কয়েকটি স্পেলে আক্রমণ করে সেলেকাওরা। মূলত বাঁদিকের উইং দিয়ে। ১১ মিনিটের মাথায় বাঁদিক দিয়েই সংঘবদ্ধ আক্রমণ করে ব্রাজিল। ভেসে আসা সেন্টার হেডে ফ্লিক করায় তা গিয়ে পড়ে ছ'গজ বক্সে ডানদিকে গ্যাব্রিয়েল জেসুসের পায়ে। কার্যত চলতি বলেই নিখুঁত মাইনাস রাখেন জেসুস। আর সেই বল দুরন্ত ইনস্টেপ ভলিতে জালে জড়িয়ে দেন অ্যালেক সান্দ্রো। এগিয়ে যায় ব্রাজিল।
এরপর ২০-৩১মিনিট পর্যন্ত মাঝমাঠ জমাট করে ব্রাজিলের বক্সে বল ফেলতে থাকে পেরু। এই সময়ে দেখা যায় প্রায় গোটা ব্রাজিল টিমই নিজেদের বক্সে নেমে এসেছে। তবে বিশেষ কোনও সুবিধা করতে পারেনি পেরু ফরওয়ার্ড লাইন। থিয়াগো সিলভারা অনায়াসেই পেরুর নির্বিষ সেন্টার ফিরিয়ে দেন একের পর এক। তারপর ফের খোলস ছেড়ে বের হন তিতের ছেলেরা। যদিও প্রথমার্ধে আর গোল হয়নি। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেই ড্রেসিংরুমে যায় ব্রাজিল দল।

দ্বিতীয়ার্ধের ব্রাজিল একেবারেই আলাদা। নেমারও যেন অনেক বেশি আগ্রাসী প্রথমার্ধের তুলনায়। বল পায়ে ডিফেন্স ফালা ফালা করা লম্বা দৌড়, নিজেদের মধ্যে পাস খেলতে খেলতে পেরু বক্সে আক্রমণ সবই হল শেষার্ধে।

৬২ মিনিটের মাথায় পেরু বক্সে নেমারকে ফাউল করায় পেনাল্টি দেন রেফারি। কিন্তু পেরু দল রিভিউ চায়। ভার পদ্ধতির সাহায্য নিয়ে খুঁটিয়ে সেই মুহূর্তের ক্লিপিং দেখে পেনাল্টি বাতিল করে দেন রেফারি। কিন্তু নেমারকে গোল থেকে দূরে রাখা যায়নি। পেনাল্টি বাতিলের পাঁচ মিনিটের মাথায় গ্যালাক্সির থ্রু টপ বক্সের মাথায় রিসিভ করে দ্বিতীয় পোস্টে নিখুঁত প্লেস করেন নেমার জুনিয়র।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দুটি বদল করেন তিতে। গাবিকে তুলে নামান রিচার্লিসনকে। এভারটনকে বসিয়ে মাঠে আনেন রিবেইরোকে। ফ্রেশ লেগ ইনজেক্ট হতেই ব্রাজিলের খেলা যেন আরও ব্রাজিলীয় ওঠে।
এরপর ৮৮ মিনিটের মাথায় তৃতীয় গোলটি পায় ব্রাজিল। নেমারের থ্রু থেকে বাঁদিকে বল ধরেন রিচার্লিসন। নিচু সেন্টার রাখেন পরিবর্ত হিসেবে নামা এভারটন রিবেইরোর উদ্দেশে। বক্সের মধ্যে বল পেয়ে জালে জড়াতে ভুল করেননি রিবেইরো।
তিন গোল হয়ে যাওয়ার পরেও আক্রমণে ক্লান্তি এল না সেলেকাও ফরওয়ার্ড লাইনে। অতিরিক্ত সময়ে চতুর্থ গোলটি করলেন রিচার্লিসন।
সব মিলিয়ে কোপার প্রথম দুটি ম্যাচে ব্রাজিলের যা পারফরম্যান্স তাতে সমর্থকরা অনেক দূর পর্যন্ত স্বপ্ন দেখতেই পারেন।