
শেষ আপডেট: 28 July 2019 11:09
ক্লাবের আধা কর্তা থেকে অসংখ্য সমর্থকের গায়ে কিংফিশারের জার্সি। মিছিলে যাঁরা ঢাক বাজালেন, তাঁদের গায়েও ওই জার্সি। তাতে লেখা ‘স্বপ্নের শতবর্ষ’। আর তার নীচে বড় বড় করে লেখা কিংফিশার। যে সংস্থার সঙ্গে ক্লাবের কোনও সম্পর্কই নেই, তার নাম কেন জার্সিতে? এ ব্যাপারে অবশ্য কিছুই বলছেন না। তবে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের অনুগামীরা বলছেন, “বোঝার জন্য ইশারাই যথেষ্ট।” কোয়েসের কর্তারাও এ নিয়ে কিছু মুখ খোলেননি।
তাহলে কি কোয়েসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়া সময়ের অপেক্ষা? এমনটাই মনে করছেন অনেকে। এ দিন সকালে কুমোরটুলি পার্কে লাল-হলুদ জনতার উপস্থিতি ছিল নজর কাড়া। বাইচুং, সুভাষ ভৌমিক, মনোরঞ্জনদের মতো প্রাক্তন খেলোয়াড়রা উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে। মিছিল শেষ হয় ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে। সেখানেই বাইচুং, মনারা মশাল তুলে দেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কল্যাণ মজুমদারের হাতে।
কিন্তু মিছিল ফেরত সমর্থকদের একইটাই প্রশ্ন? কোয়েস কোথায়? কিংফিশার কেন?