দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুক্রবার প্রশাসনিক কমিটি জানিয়েছিল, কপিল দেব, অংশুমান গায়কোয়াড়, শান্তা রঙ্গস্বামীর উপদেষ্টা কমিটির হাতেই দেওয়া হলো ভারতের পরবর্তী কোচ বাছাইয়ের দায়িত্ব। তার ২৪ ঘণ্টা পরেই কমিটির অন্যতম সদস্য অংশুমান গায়কোয়াড় জানান, কোচ হিসেবে রবি শাস্ত্রীকেই রেখে দিতে চান তিনি। এর পরে কমিটির বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের এক সদস্য। তাঁর অভিযোগ, এই কমিটির সঙ্গেও তো স্বার্থের সংঘাত জড়িয়ে রয়েছে।
মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের আজীবন সদস্য সঞ্জীব গুপ্তা বোর্ডের এথিক্স অফিসারের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, "বোর্ডের ২৬(২)এ(ii) নিয়ম অনুযায়ী একমাত্র বিসিসিআই-এর এজিএম-এর ক্ষমতা আছে উপদেষ্টা কমিটি গড়ার। প্রশাসনিক কমিটির কোনও অধিকার নেই এই উপদেষ্টা কমিটি তৈরি করার। মহিলা দলের কোচ নির্বাচনের সময়ও এই নিয়ম ভাঙা হয়েছিল।"
সঞ্জীব বোর্ডের কাছে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন, "আমি বোর্ডকে জানাচ্ছি, প্রশাসনিক কমিটির কোচ বাছাইয়ের ক্ষমতা আছে। কিন্তু তাঁদের উপদেষ্টা কমিটি কিংবা অন্য কোনও ক্রিকেট কমিটি নির্বাচন করার কোনও এক্তিয়ার নেই। সুতরাং আমি আবেদন করছি, বোর্ড যেন এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করে।"
প্রশাসনিক কমিটির এই সিদ্ধান্ত স্বার্থের সংঘাত তৈরি করছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, "বোর্ড স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, স্বার্থের সংঘাত হচ্ছে এমন কোনও ব্যক্তিকে এই ধরণের কোনও ভূমিকায় রাখা যাবে না। এই কারণ দেখিয়েই সৌরচ, শচীন, লক্ষ্মণকে একটা পদ বেছে নিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কপিল দেব ও শান্তা রঙ্গস্বামী ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের ডিরেক্টর। অন্যদিকে অংশুমান গায়কোয়াড় বোর্ডের অ্যাফিলিয়েশন কমিটির সদস্য। তাই কীভাবে তাঁরা দুটি পদে একসঙ্গে থাকছেন।"
এখন দেখার সঞ্জীব গুপ্তার এই অভিযোগের পর এই ব্যাপারে বিসিসিআই কোনও পদক্ষেপ নেয় কিনা।