মাঠে কেন ড্রাম বাজছে? কাড়তে এসে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে নাস্তানাবুদ সিভিক পুলিশ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাহাড়ের দুই ম্যাচ থেকে তিন দু'গুণে ছ'পয়েন্ট পেলেও ঘরের মাঠের প্রথম ম্যাচেই এ বারের আই লিগে প্রথম হারতে হলো ইস্টবেঙ্গলকে। ২৫হাজারের বেশি দর্শককে ফিরতে হলো চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হারের যন্ত্রণা নিয়েই। জনি অ্যাকোস্টা, বোরহা পেরেজ
শেষ আপডেট: 13 November 2018 17:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাহাড়ের দুই ম্যাচ থেকে তিন দু'গুণে ছ'পয়েন্ট পেলেও ঘরের মাঠের প্রথম ম্যাচেই এ বারের আই লিগে প্রথম হারতে হলো ইস্টবেঙ্গলকে। ২৫হাজারের বেশি দর্শককে ফিরতে হলো চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হারের যন্ত্রণা নিয়েই। জনি অ্যাকোস্টা, বোরহা পেরেজদের ডিফেন্স চেন্নাইয়ের স্প্যানিশ ব্রিগেড ভেঙে দিলেও, গ্যালারিতে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের ডিফেন্স ভাঙতে পারল না স্টেডিয়ামের দায়িত্বে থাকা সিভিক ভলান্টিয়ার।
খোলসা করে বলা যাক!
তখন খেলার বয়স কুড়ি কি বাইশ মিনিট হবে। যুবভারতীর তিন নম্বর গ্যালারির মিডল টায়ারে চান্ট করছেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। গান, স্লোগানে মাতোয়ারা গোটা গ্যালারি। ড্রামবিটের তালে তখন লাল-হলুদ হিল্লোল।
কিন্তু মাঠে ড্রাম কেন? এ সব নিয়ে তো ঢোকার নিয়ম নেই। মূল গেটের চেকিং 'ফাঁকি দিয়ে' ড্রাম ঢুকে পড়েছে গ্যালারিতে। ছুটে আসেন গ্যালারির দায়িত্বে থাকা সিভিক পুলিশরা। ড্রাম বাজেয়াপ্ত করবেন বলে প্রায় জনা ষাটেক সিভিক ভলান্টিয়ার ঘিরে ফেলার চেষ্টা করেন সমর্থকদের। তার বদলে লাল-হলুদ.সমর্থকরাই ঘিরে ফেলেন তাঁদের। একদিকে চলতে থাকে বচসা। অন্যদিকে ড্রাম বাজিয়ে চান্ট। মিনিট কুড়ি এ সব চলার পর রণে ভঙ্গ দেন সিভিক ভলান্টিয়াররা।
মাঠের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক পুলিশকর্মী বলেন, "মূল গেটেই আটকানো উচিত ছিল। পরের ম্যাচ থেকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।"
কিন্তু সবারই একটাই প্রশ্ন, ড্রামই তো! বোমা তো নয়! বাদ্যযন্ত্রেও নো এন্ট্রি?