
শেষ আপডেট: 18 August 2019 15:56
অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তাদের তরফে জানানো হয়, ২৫ প্রাক্তন অধিনায়ক আসার কথা থাকলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে দু'জন ও বলাই মুখোপাধ্যায়ের আত্মীয় মারা যাওয়ায় তিনি আসতে পারেননি। বাকি ২২ অধিনায়ক উপস্থিত ছিলেন এ দিন। ছিলেন ৬০-এর দশকের লাল-হলুদ অধিনায়ক পরিমল দে, সুকুমার সমাজপতি, চন্দন দে, ৭০ দশকের ইস্টবেঙ্গল অধিনায়ক তথা পরবর্তীকালে কোচ শ্যামল ঘোষ, ৮০-র দশকের বিকাশ পাঁজি, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, তরুণ দে। পরবর্তীকালের ইস্টবেঙ্গল অধিনায়কদের মধ্যে ছিলেন, অনিত ঘোষ, সুলে মুসা, এম সুরেশ, মেহতাব হোসেন, চন্দন দাস, অমিতাভ চন্দ, সুমিত মুখোপাধ্যায়, আলভিটো ডি কুনহা, অভ্র মণ্ডল, দীপঙ্কর রায়, অর্ণব মণ্ডল, রহিম নবি, সৌমিক দে প্রমুখ।
ক্লাবের কর্মকর্তাদের তরফে উপস্থিত ছিলেন সচিব কল্যাণ মজুমদার, সহ-সচিব ডাক্তার শান্তিরঞ্জন দাশগুপ্ত। এ ছাড়াও দেবব্রত সরকার ( নিতু ), দেবরাজ চৌধুরী সহ অন্যান্য ক্লাবকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন এই অনুষ্ঠানে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলে কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। ছিলেন সাংসদ সুভাশিস চক্রবর্তী।
ঘণ্টা তিনেকের এই অনুষ্ঠানে সব প্রাক্তন অধিনায়কদের সংবর্ধনা জানানো হয়। লাল-হলুদ জার্সিতে নিজেদের অভিজ্ঞতা দর্শকদের সঙ্গে শেয়ার করেন এই সব দিকপালরা। নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে ক্লাবকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, "ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে যে অনুষ্ঠান হয়েছিল, তার থেকে এই অনুষ্ঠান কোনও অংশে কম নয়। বাকি সবাইকে পাঁচ গোল দিয়েছিস তোরা ( উদ্যোক্তারা )।"
মঞ্চে উঠে খালি গলায় গান করেন প্রাক্তন অধিনায়ক তরুণ দে। কুছ কুছ হোতা হ্যায় গেয়ে দর্শকদের মাতিয়ে দেন লাল-হলুদের আশিয়ান জয়ী অধিনায়ক সুলে মুসা। ২০০৩ সালে আশিয়ান কাপ জিতে জাকার্তার টিম হোটেলে ফেরার সময়ে টিম বাসেই বাউল গান গেয়েছিলেন ষষ্ঠী দুলে ও কুছ কুছ হোতা হ্যায় গেয়েছিলেন মুসা। কিন্তু ১৬ বছর পরেও যে সেই গান তিনি ভোলেননি তা আরও একবার প্রমাণ করলেন। আসলে সবটাই তো আবেগ। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের আবেগের টানে এসেছেন কত দূর থেকে। এই আবেগ থেকেই হয়তো গুনগুন করে উঠলেন মুসা। লাল-হলুদ আবেগে ভাসল বেহালা শরৎ সদন।
দেখুন এই অনুষ্ঠানের আরও কিছু মুহূর্ত