ন’টায় মাঠ ছেড়েছিলেন বিরাটরা, বিস্ফোরক অভিযোগ অসমের ক্রিকেট কর্তার
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এনআরসি ও নাগরিকত্ব আইন বিরোধী বিক্ষোভের মাঝেই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম টি ২০ ম্যাচ খেলার কথা ছিল অসমে। ম্যাচ উপলক্ষ্যে ভরে উঠেছিল গুয়াহাটির স্টেডিয়াম। কিন্তু বৃষ্টির জন্য ভেস্তে যায় খেলা। আর তারপরেই ভারতীয় ক্রিকেটার
শেষ আপডেট: 6 January 2020 13:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এনআরসি ও নাগরিকত্ব আইন বিরোধী বিক্ষোভের মাঝেই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম টি ২০ ম্যাচ খেলার কথা ছিল অসমে। ম্যাচ উপলক্ষ্যে ভরে উঠেছিল গুয়াহাটির স্টেডিয়াম। কিন্তু বৃষ্টির জন্য ভেস্তে যায় খেলা। আর তারপরেই ভারতীয় ক্রিকেটারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললেন অসম ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। বললেন, শেষ মাঠ পরিদর্শনের আধ ঘণ্টা আগেই মাঠ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন বিরাটরা।
এদিন সংবাদমাধ্যমের সামনে এক সাক্ষাৎকারে দেবজিৎ জানান, এই ঘটনায় তিনি নিজেই অবাক হয়ে গিয়েছেন। ক্রিকেটাররা চলে যাওয়ার পরেও কেন মাঠ পরিদর্শনে গেলেন আম্পায়াররা, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। সচিব বলেন, “এটা আমার কাছেই একটা রহস্য। সব ক্রিকেটাররা রাত ৯টা নাগাদ মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। খেলা যে হবে না সে কথা ঘোষণা করা হয় রাত ৯টা ৫৪ নাগাদ। তার আগে সাড়ে ৯টা নাগাদ শেষবার পিচ পরিদর্শন করতে যান আম্পায়ার শামসুদ্দিন, নিতীন মেনন, অনিল চৌধরী ও ম্যাচ রেফারি ডেভিড বুন। ক্রিকেটাররা বেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁরা কেন গেলেন সেটাই আমি বুঝতে পারছি না।”

অবশ্য এই ঘটনার পিছনে একটা কারণের কথা বলেছেন দেবজিৎ সাইকিয়া। তাঁর কথায়, “দর্শকরা বেশ কয়েক ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছিলেন। ৯টার সময় খেলা ভেস্তে যাওয়ার কথা বললে সমস্যা হতে পারত। তাই হয়তো ক্রিকেটাররা বেরিয়ে যাওয়ার পরে এই ঘোষণা করা হল। এটাই হয়তো নিয়ম।”
আরও কিছুটা সময় পেলে মাঠ খেলার উপযোগী করে তোলা যেত বলেই মনে করেন সচিব। এ ক্ষেত্রেও আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন তিনি। দেবজিতের কথায়, “রবিবার বিকেলে বৃষ্টি হওয়ার পরেও মাঠ তৈরি হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু টসের পরেই ফের বৃষ্টি শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টা বৃষ্টি হওয়ার পর সন্ধ্যা ৭টা ৫৩ নাগাদ বৃষ্টি থামে। তারপর আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারি আমাদের জানান, সন্ধ্যা পৌনে নটার মধ্যে মাঠ খেলার উপযোগী করে তুলতে হবে। নইলে খেলা হবে না। অর্থাৎ এক ঘণ্টাও সময় পাইনি আমরা। অথচ তারও এক ঘণ্টা পরে খেলা ভেস্তে যাওয়ার ঘোষণা করা হয়। আরও আধ ঘণ্টা সময় আমাদের দিলে কাল খেলা হত।”
অসম ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সচিবের এই মন্তব্যের পর অবশ্য ইন্ডিয়ান টিম ম্যানেজমেন্ট বা বিসিসিআইয়ের তরফে কোনও জবাব দেওয়া হয়নি। তবে এই অভিযোগ যে ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য ভাল বিজ্ঞাপন নয়, তা মানছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।