
শেষ আপডেট: 23 September 2018 16:15
দাদা আরও বলেন, ‘‘নির্বাচন ক্লাবের একটা অংশ। নির্বাচনে কিছু লোক জয়লাভ করে, কিছু লোক হারে। তবে মোহনবাগান ক্লাবের ঐতিহ্য, ইলেকশনের অনেক ঊর্ধ্বে। মোহনবাগান ক্লাবকে সারা পৃথিবী, সারা ভারতবর্ষ চেনে। মোহনবাগান ১২৯ বছরের পুরনো ক্লাব। মোহনবাগান ক্লাবের আইএফএ শিল্ড জেতার কথা শুনেছি। আপনারা এমন মানুষের সঙ্গে থাকবেন যাঁরা ক্লাবকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। কারণ, ইলেকশন চলবে এক মাস। কিন্তু ক্লাব থাকবে শত শত বছর। সৃঞ্জয় এতদিন মোহনবাগান ক্লাব চালিয়েছে। ভাল ভাবে চালিয়েছে। এত সমস্যার মধ্যে নিজের বাড়ির থেকে অর্থ নিয়ে ফুটবল ক্লাব চালানো দায়বদ্ধতা প্রমাণ করে। এটা সৃঞ্জয়, টুটুবাবু ও তাঁর পরিবার দিনের পর দিন করে এসেছেন। আশা করি, ওঁদের কাছ থেকে ক্লাবের প্রতি এই ভালবাসা ভবিষ্যতেও দেখব।’’
ক্লাবের নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে নিজের স্মৃতির ঢালি উপুড় করে দেন মহারাজ। বলছিলেন, ‘‘মঞ্চে যাঁরা রয়েছেন সত্যজিৎ চট্টোপাধ্যায়, কম্পটন দত্ত এবং অন্যান্যরা, যাঁরা দীর্ঘদিন মোহনবাগান ক্লাবে খেলেছেন, তাঁদের খেলা হাফপ্যান্ট পরার বয়স থেকে দেখেছি। আমি তখন সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলে পড়তাম। বাবার মেম্বারশিপ কার্ড নিয়ে চারটের সময় র্যামপার্টে বসে মোহনবাগানের খেলা দেখেছি। বিদেশ, মানস, প্রসূন, উলগানাথনের খেলা দেখার জন্য যে কোনও সমর্থকের মতো আমিও সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বাসে চেপে সোজা ইডেন গার্ডেন্সের পাস দিয়ে মাঠে ঢুকেছি। যে দিন যেতে পারতাম না, কার্তিক বাবুর কমেন্ট্রি শুনতাম রেডিওতে। এই সমস্ত শুনে বড় হয়ে উঠেছি।’’
এ দিনের সভার পরে স্বভাবতই ব্যাকফুটে অঞ্জন মিত্র অ্যান্ড কোং। তাঁরা জানেন, সৌরভের বক্তব্যের কতটা প্রভাব পড়তে পারে সদস্যদের মধ্যে। তাই এই সভাকে কাউন্টার করার জন্য এখন কী চাল অঞ্জন মিত্র নেন, সেই দিকেই তাকিয়ে ময়দান।