
শেষ আপডেট: 24 July 2018 10:53
ম্যান ইউ কোচ বলেন, দেশের হয়ে খেলার সময় সমর্থকদের আবেগ, আশা সব খেলোয়াড়দের উপর থাকে। আর তাই দেশের হয়ে খেলার সময় আলাদা চাপ থাকে খেলোয়ারদের উপর। দেশের প্রতি আরও বেশি দায়বদ্ধতা দেখা যায় খেলোয়াড়দের মধ্যে। আর সেই ছবিই দেখা গিয়েছে পোগবার মধ্যে। অনেক বেশি দায়িত্ব নিয়ে পোগবা বিশ্বকাপে খেলেছেন বলে মত তাঁর।
কিন্তু যখন তিনি ক্লাবের হয়ে খেলেন, তখন সেই দায়বদ্ধতা, সেই আবেগ দেখা যায় না পোগবার মধ্যে। তাই কিছুটা গা-ছাড়া মনোভাব দেখা যায়। তার খেসারত দিতে হয় দলকে। এখান থেকে মুক্তি পেতে গেলে খেলোয়াড়কেই এগিয়ে আসতে হবে বলে মত মোরিনহোর। কারণ ক্লাবের পক্ষে খেলোয়াড়ের উপর দায়বদ্ধতা চাপিয়ে দেওয়া যায় না।
প্রসঙ্গত, বিশ্বকাপের পর থেকেই পোগবাকে নেওয়ার জন্য ঝাঁপিয়েছে ফ্রান্সের ক্লাব প্যারিস সাঁ জা ও পোগবার পুরোনো ক্লাব জুভেন্টাস। কিন্তু পোগবা বা ম্যান ইউ'র তরফে এখনও এই ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি।
মোরিনহো'র এই মন্তব্যের পর অবশ্য খেলার জগতে কিছুটা শোরগোল উঠেছে। কেউ বলছেন, পোগবার খেলার পদ্ধতি অনেকটাই স্বাধীন। যে স্বাধীনতা দিদিয়ের দেশঁ পোগবাকে দিয়ে থাকেন সেই স্বাধীনতা মোরনহো'র কাছে তিনি পান না। তাই খেলায় তার প্রভাব পরে। আবার কেউ বলছেন, যেখানে ফুটবল বিশ্বে মেসি, রোনাল্ডোদের মতো খেলোয়াড়দের সমালোচনা করা হয় যে তাঁরা দেশের থেকে ক্লাবের হয়ে খেলায় বেশি দায়বদ্ধ, সেখানে পোগবার ক্ষেত্রে দেখা গেল উলটো ঘটনা।