
শেষ আপডেট: 3 January 2024 17:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মোহনবাগান সুপারজায়ান্টের চিফ কোচ বদল হল। সরে দাঁড়ালেন জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর জায়গায় সবুজ-মেরুনের দায়িত্ব নিচ্ছেন আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। আসন্ন সুপার কাপ থেকেই প্রধান কোচের দায়িত্ব সামলাবেন তিনি। আইএসএল (২০২২-২৩ মরশুম) ও এবারের ডুরান্ড কাপ জয়ের জন্য ফেরান্দোকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ক্লাব কর্তারা।
চলতি আইএসএলে টানা তিনটি ম্যাচ হেরেছিল মোহনবাগান। সেইসময় কোচ ফেরান্দো জুতসই ব্যাখ্যা দিতে পারেননি কেন দলের এমন ব্যর্থতা। তিনি দলের রিজার্ভ বেঞ্চ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ফেরান্দোর নামে সবুজ মেরুন সমর্থকরা গো ব্যাক ধ্বনি দিতে থাকেন। সেইসময়ই বোঝা গিয়েছিল স্প্যানিশ তরুণ কোচের চাকরি নিশ্চিত নয়। তিনি নিজেই ক্লাবকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি কোচের দায়িত্বে থাকবেন না।
মোহনবাগান চলতি আইএসএলে টানা সাত ম্যাচ জিতে অপরাজিত ছিলেন। শেষ তিনটি ম্যাচ হারতেই ফেরান্দোকে কার্যত ছেঁটে ফেললেন কর্তারা। তিনি অবশ্য কেরলের বিরুদ্ধে ম্যাচে বিধ্বস্ত হওয়ার পরেই ক্লাব সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তাঁকে সরিয়ে দেবে। সেটাই হল শেষমেশ।
এমনিতেই মোহনবাগান দলের টিডি ছিলেন আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। তিনি এটিকে মোহনবাগানকে দু’বার আইএসএলে খেতাব এনে দিয়েছিলেন। সেই প্রবীণ কোচের ওপরই ভরসা রাখলেন সবুজ মেরুন কর্তারা। আরও ভাল করে বললে কলকাতার শিল্পপতি সঞ্জীব গোয়েঙ্কা।
ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে সুপার কাপ শুরু হবে সামনের সপ্তাহে। সেই টুর্নামেন্ট থেকেই হাবাসের কাছে নয়া চ্যালেঞ্জ। মোহনবাগান দলে চোট আঘাতের সমস্যা ছিল। আনোয়ার আলি, আশিক কুরিয়ান, সাহাল, এমনকী লিস্টন কোলাসো কার্ডের কারণে ছিলেন না। সেটাই সমস্যা হয়ে গিয়েছে দলের। যদিও কোচ বিকল্প তৈরি করতে পারেননি। সেটাই বড় কারণ হয়ে গিয়েছে দলের ব্যর্থতার।
২০২১ সালে ফেরান্দোকে মোহনবাগানের কোচের পদে আনা হয়েছিল। তিনি কোচ হয়ে এসেছিলেন হাবাসের স্থানেই। ফেরান্দো দলকে ভালই সামলেছেন এই দু’বছরে। তাঁর কোচিংয়ে বাগান মোট ৭৭টি ম্যাচের মধ্যে ৪২টি ম্যাচ জিতেছে। হারতে হয়েছে ২০টি ম্যাচে। সমর্থকদের একাংশের মতে, আরও সুযোগ প্রাপ্য ছিল ফেরান্দোর। তিনি দলকে গতবারই আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন।
হাবাস কি সফল হবেন? সেই প্রশ্নের জবাবে মোহনের এক কর্তা বললেন, সেটা সময় বলবে। তবে হাবাস অভিজ্ঞ কোচ, তিনি জানেন কী করে এই অবস্থা থেকে ফিরতে হয়। সুপার কাপে মোহনবাগানের গ্রুপে রয়েছে শ্রীনিধি ডেকান, ইস্টবেঙ্গল, হায়দরাবাদ এফসি।