
শেষ আপডেট: 25 July 2018 14:00
গত বছর মহালয়ার বিকেল। প্রবল উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ছে ইস্টবেঙ্গল মাঠ। ঘরোয়া লিগের ম্যাচে টালিগঞ্জ অগ্রগামীকে ৫ গোল দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। এমনিতেই সে ম্যাচের উত্তেজনা ছিল টানটান। সে বার টালিগঞ্জের ডাগ আউটে সুভাষ ভৌমিক। আর লাল-হলুদে খালিদ জামিল। দুই কোচের লড়াই উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়েছিল। কিন্তু ম্যাচ শেষের পর 'কিছু ইস্টবেঙ্গল সমর্থক' বেনজির 'অসভ্যতা' করেন মোহনবাগান টেন্টের গেটে। ভিতরে তখন সবুজ-মেরুনের একটি ফ্যান ফোরামের অনুষ্ঠান চলছিল। মাঠ থেকে ফেরার সময় বিনা প্ররোচনায় হামলা করার অভিযোগ ওঠে লাল-হলুদ সমর্থকদের বিরুদ্ধে। ভেঙে দেওয়া হয় মোহনবাগান ক্লাবের বোর্ডও। এরপর দিনই মোহনবাগান ক্লাবে চলে যান ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষ কর্তারা। গোটা ঘটনার নিন্দা করে ইস্টবেঙ্গল। এক নজিরবিহীন সৌজন্য দেখেছিল ময়দান। অনির্বাণের পাশে বাগান কর্তাদের দাঁড়ানোও আরও একটি সৌজন্যের নজির বলেই মনে করছে ফুটবল মহলের একটা বড় অংশ।
এ দিন হাসপাতালে গিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকারও। ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকেও অনির্বাণের চিকিৎসার সমস্ত আর্থিক দায়িত্ব নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়ে এসেছেন তিনি।