Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

মোহনবাগানের পাঞ্জাব জয় দিল্লি স্টেডিয়ামে, পেত্রাতোসের গোলেই শেষ হাসি

শনিবার দিল্লি স্টেডিয়ামে পাঞ্জাব এফসি-র বিরুদ্ধে মোহনবাগানের ম্যাচটি এককথায় অতি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই ম্যাচ না জিতলে তারা লিগ-শিল্ড পেত কিনা, সেটি নিয়ে সমস্যা হতো।

মোহনবাগানের পাঞ্জাব জয় দিল্লি স্টেডিয়ামে, পেত্রাতোসের গোলেই শেষ হাসি

শেষ আপডেট: 6 April 2024 19:22

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লিতে ফাঁকা স্টেডিয়ামে মোহনবাগান খেলল একটা দারুণ অভিজ্ঞতা নিয়ে। কোভিডের সময় এমন দৃশ্য দেখা যেত। যেখানে সারা গ্যালারি ফাঁকা, তারমধ্যে দুটি দল ম্যাচ খেলছে। মোহনবাগান দিল্লির প্রচণ্ড গরমের মধ্যেই ১-০ গোলে হারাল পাঞ্জাব এফসিকে। 

শনিবার দিল্লি স্টেডিয়ামে পাঞ্জাব এফসি-র বিরুদ্ধে মোহনবাগানের ম্যাচটি এককথায় অতি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই ম্যাচ না জিতলে তারা লিগ-শিল্ডের দৌড়ে থাকত কিনা সেই নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। বাকি দুটি ম্যাচও তাদের জিততে হবে। এই জয়ের ফলে বাগানের ২০ ম্যাচে পয়েন্ট ৪২, তাদের থেকে একই সংখ্যক ম্যাচ খেলে মুম্বই ৪৪ পয়েন্টে রয়েছে।  হাবাসের দলের ঘাড়ের কাছে শ্বাস ফেলছে মুম্বই সিটি এফসি এবং ওড়িশা দল।

মোহনবাগানের হয়ে জয়ের গোলটি করেছেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। যিনি বক্সের বাইরে থেকে মাটি ঘেঁষা রকেট শটে গোলটি করেছেন। ম্যাচের ৪২ মিনিটে এসেছে ওই কাঙ্খিত গোলটি। 

এই ম্যাচে অবশ্য মোহনবাগানের খেলা ভাল লাগেনি সমর্থকদের। সেই পরিকল্পিত আক্রমণ দেখা যায়নি। এদিনও দলের ডাগআউটে দেখা যায়নি মূল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসকে। তিনি থাকলে পাশে থেকে দলকে একভাবে পরিচালনা করেন, তিনি না থাকলে পার্থক্য ধরা পড়ে যায়।  বিরতির পরে মোহনবাগানকে রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত থাকতে দেখা গিয়েছে। 

পাঞ্জাব দিল্লির মাঠে রীতিমতো চাপে রেখেছিল বাগান দলকে। তারাও অনেক গোল দিতে পারত, কিন্তু ফাঁকা গোলে বল জড়াতে পারেনি তাদের বিদেশি তারকারা। একবার পাঞ্জাব দল গোলও দিয়ে দিয়েছিল, সেটি অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়।

মোহনবাগানের খেলার মধ্যে সৃজনশীলতা ছিল না। তাদের খেলায় বহু মিস পাস হয়েছে। বিক্ষিপ্তভাবে কিছু আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন কামিন্স, মনবীররা। একবার শুভাশিস বসুর শট বাঁচিয়ে দিয়েছেন বিপক্ষের গোলরক্ষক রবি কুমার। তেমনি জর্ডানের শট বাঁচিয়ে দেন বাগান গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। 


```