দ্য ওয়াল ব্যুরো: অলিম্পিকে ভারতীয় অ্যাথলিটদের জন্য আলাদা রসনাতৃপ্তির ব্যবস্থা হয়েছে। তালিকায় সব ধরনের উপকরণ রয়েছে। কেউ যদি ভেজ খেতে চান, তাঁকে সেরকম দেওয়া হবে, আবার কেউ যদি ননভেজ চান, তাঁকে সেই মতোই দেওয়া হচ্ছে ডাইনিং টেবিলে।
ছোলে বাটুরে, টমেটো ও শাহি পনীর, বাটার নান, ঢেঁড়শের কালিয়া। অলিম্পিকের রন্ধনশালায় থাকছে এমনই লোভনীয় খাবার। প্রতিবারই অলিম্পিকের খাওয়া দাওয়া নিয়ে অ্যাথলিটদের বিস্তর অভিযোগ থাকে। কারণ যে দেশ আয়োজন করে তারা তাদের মতো খাবার দিয়ে থাকে।
সেই কারণে ভারতীয় দল অনেকক্ষেত্রে তাদের রাঁধুনি নিয়ে যায়। এবার সেটি হয়নি করোনা পরিস্থিতির কারণে। টোকিওতে সেই সমস্যা হবে না, তা প্রথমেই বোঝা গিয়েছে। এ সবের থেকেও বেশি আলোচনা টোকিওর খাবার নিয়ে।
ভারতের শুটিং কোচ রৌনক পণ্ডিত বলেছেন, ‘‘গেমসে সব কিছুই দারুণ পরিপাটি করে সাজানো রয়েছে। চিকেন রুমটাও দারুণ। সব ধরনের খাবার রয়েছে। ভারতীয়দের জন্য পৃথক খাবার ইন্ডিয়ান ফুডের ব্যবস্থা। ভারতের শেফ দ্য মিশন প্রেম ভার্মাও বলেছেন, ‘‘খাবারে অনেক বৈচিত্র্য রয়েছে। ওই খাবার দেখে কিন্তু অ্যাথলিটরা খুব খুশি হয়েছে।’’
টোকিও অলিম্পিকে ভারতের সবচেয়ে বড় দল নামছে। মোট ১১৯ জন প্রতিযোগী অংশ নেবেন ১৮টি ইভেন্টে। ভিলেজে মোট ১৮২টি ঘর বরাদ্দ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে গেমস ভিলেজে ২৮টা টাওয়ার রয়েছে। ভারতীয় দল রয়েছে ১৫ নম্বর টাওয়ারে। ওই টাওয়ারের ১১, ১২ ও ১৩ তলা শুধুমাত্র ভারতীয় অ্যাথলিটরাই থাকছেন।
এদিকে, সোমবার সকালে টোকিওতে ব্রেকফাস্ট টেবিলে একটি অন্যরকম বিষয় লক্ষ্য করা গিয়েছে। সবাই যখন প্রাতরাশ সারছেন, সেইসময় দেখা যায় বক্সার মেরি কম খাবার গ্রহণের আগে প্রার্থনা সেরে নিচ্ছেন। এক বক্সিং কোচ দৃশ্যটি ছবি তুলে সেটি পোস্ট করতে সকলে তা নিয়ে তারিফ করেছেন। এটাই যে উচিত খাবার গ্রহণের আগে, অনেকে সেটিও বলেছেন।
কিংবদন্তি মেরির টেবিলে ছিল জুস, ফল, সসেজ। মনিপুরের এই বক্সারের পারিবারিক রীতি হল, কোনও খাবার খাওয়ার আগে প্রার্থনা করা। তারপরে শুরু হয় খাওয়া। সেইমতোই আজও গেমস ভিলেজে ব্রেকফাস্টের আগে প্রার্থনা সেরে নিলেন মেরি কম। ২০১২ সালে লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন মেরি। ৬ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ২৫ জুলাই লড়াইয়ে নামবেন।