
গোলের পরে চেনা উচ্ছ্বাস কামিন্সের।
শেষ আপডেট: 4 May 2024 20:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ওস্তাদের মার কি শেষ রাতে? নাকি এখনও অনেককিছু বাকি রয়েছে যুবভারতীতে। বিরতির পরে আরও নাটক বাকি রয়েছে ম্যাচের।
ম্যাচের ৪৩ মিনিটে কামিন্স যে গোলটি করে দলকে এগিয়ে দিলেন, তারজন্য কোনও প্রশংসাই যথেষ্ট নয়। কারণ গত ম্যাচের মতোই দিমিত্রির দূরপাল্লার শট ফিরে এলে কামিন্স গোল করে ১-০ এগিয়ে দিলেন মোহনবাগানকে।
আইএসএল ফাইনালের প্রথম আধঘণ্টা ম্যাচ দেখে বোঝা যাবে না খেলা কোথায় হচ্ছে। সেইসময় মনে হওয়া স্বাভাবিক খেলা যুবভারতী নয়, হচ্ছে মুম্বইয়ের মাঠে। একের পর এক আক্রমণে মোহনবাগানকে চেপে ধরেছে বিপক্ষ দল মুম্বই সিটি এফসি।
মোহনবাগানের রক্ষণাত্মক কৌশলে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে মুম্বই, যারা রেকর্ডে বাগানের চেয়ে এগিয়ে শুরু করেছে। মোহনবাগান কেন এত খোলসে ঢুকে থাকল, বোধগম্য হচ্ছে না সমর্থকদেরও। বরং মুম্বই কোচ পিটার ক্রাতকি দেখিয়ে দিলেন যুবভারতীর সমর্থনের বিপরীতেও ভাল ফুটবল উপহার দেওয়া যায়।
মোহনবাগানের আক্রমণ বলতে ম্যাচের ৪১ মিনিটে। সেবারই একটু নড়েচড়ে বসেছেন সমর্থকরা। না হলে তাঁদের দেখতে হয়েছে মুম্বইয়ের চাপের খেলা। একবার মোহনবাগানকে বাঁচিয়ে দিয়েছে গোলপোস্টও। ৩৬ মিনিটে মুম্বইয়ের এক তারকার শট সাইড পোস্টে লেগে ফিরে এসেছে। আর বিরতির আগে পর্যন্ত বিশাল কাইথ দলকে বাঁচিয়েছেন।
কে বলবে মোহনবাগান কোচ হাবাসের এটাই রণকৌশল ছিল। তিনি চেয়েছিলেন বিপক্ষ দলকে আগে বুঝে নিতে। আগে দেখে নাও, তারপর সুযোগ বুঝে আক্রমণে যাও। সেইমতোই বাগানের ফুটবলাররা এ ম্যাচে খেলেছেন। না হলে বাগান প্রথমার্ধে মাত্র ৩৫ শতাংশ বল দখলে রাখতে পেরেছে। আর মুম্বই দল ৬৫ শতাংশ বল পজেশন রেখেও আসল কাজ করে উঠতে পারেনি বিরতির আগে পর্যন্ত। এখানেই হাবাস টেক্কা দিলেন মুম্বইয়ের চেক কোচকে।