
শেষ আপডেট: 19 November 2023 15:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্বকাপ জ্বরে ভুগছে গোটা দেশ। নানা রঙে সেজে উঠেছে দেশের নানা প্রান্ত। বলা চলে ভারত ভেসেছে নীল রঙে। রাজনৈতিক নেতা, বিনোদন জগতের মানুষজন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ মেতেছে বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞে। প্রতিটি ভারতবাসীর মনের মধ্যে একটাই স্বপ্ন দানা বেঁধে আছে, ফের বিশ্বকাপ উঠুক ভারতের হাতে। শিল্পপতি আনন্দ মাহিন্দ্রাও বাদ যাননি সেই তালিকা থেকে।
সবাই নিজের মতো করে প্ল্যান করে নিয়েছেন বিশ্বকাপ দেখার। কেউ একা একা দেখছেন, কেউ আবার বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা মারতে মারতে চোখ রাখবেন টিভির পর্দায়। কিন্তু আনন্দ মাহিন্দ্রা এসবরের মধ্যে নেই। তিনি বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখবেন না বলেই স্থির করেছেন!
গোটা ভারত যখন ফাইনাল দেখতে চোখ রাখবে টিভি বা মোবাইলের পর্দায়, সেখানে আনন্দ মাহিন্দ্রা নিজেকে সরিয়ে রাখবেন বলে ঠিক করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই কথা নিজেই জানিয়েছেন ভারতীয় শিল্পপতি। তিনি যে ক্রিকেট ভালবাসেন সে কথা অজানা নয় তবে কেন নিজেকে ফাইনাল থেকে দূরে রাখতে চাইছেন, তা জানালেন আনন্দ মাহিন্দ্রা।
বিশ্বকাপ ফাইনালের ম্যাচ না দেখলেও খেলার সময় ভারতীয় জার্সি পরবেন তিনি। জার্সির পিছনে ইংরেজিতে লেখা 'আনন্দ'। তবে নিজের নামাঙ্কিত এই জার্সি পরে খেলা দেখবেন না তিনি, নিজেকে একটি ঘরে বন্দি করে রাখবেন যতক্ষণ খেলা চলবে!
সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে আনন্দ লিখেছেন, 'না, না, আমি ম্যাচ দেখার কোনও পরিকল্পনা করিনি। তবে আমি প্রকৃতপক্ষে, এই জার্সিটি (পোস্টে দেওয়া জার্সির ছবি) পরব এবং বাইরের বিশ্বের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ ছাড়াই নিজেকে একটি ঘরে বন্দি করে রাখব। যতক্ষণ না কেউ এসে আমায় বলছে যে, আমরা জিতেছি...'!
No, no, I am not planning to watch the match (my service to the nation ????) But I will, indeed, be wearing this jersey and installing myself in a hermetically sealed chamber with no contact with the outside world until someone knocks and tells me we’ve won… pic.twitter.com/HhMENqORp1
— anand mahindra (@anandmahindra) November 19, 2023
খেলা নিয়ে অনেকের মধ্যেই অনেক 'কুসংস্কার' আছে। সেই নিয়ে বিভিন্ন অদ্ভুত অদ্ভুত গল্পও শোনা যায়। কেউ মনে করেন একা খেলা দেখলে, তাঁর সমর্থন করা দল জিতবে, কেউ আবার উল্টোটা মনে করেন। কারও আবার বিশেষ চেয়ার আছে, সেখানেই বসে খেলা দেখেন, কেউ আবার বেছে নেন অন্য কোনও বিষয়। পন্থা ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু সকলের মনের বাসনা কমবেশি একই থাকে। আনন্দ মাহিন্দ্রাও হয়তো তেমন কিছু করার কথা ভেবে রেখেছেন।