এতদিন টিভিতে দেখেছেন, শচীনের সঙ্গে সেলফি তুলে অভিভূত সোনাজয়ী প্রমোদ
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বপ্নের মানুষের সঙ্গে সেলফি, ভাবতেই পারেননি প্যারা অলিম্পিকে (Paralympics) সোনা জয়ী ব্যাডমিন্টন (Badminton) তারকা প্রমোদ (Pramod) ভগৎ। শচীন তেন্ডুলকারের (Sachin Tendulkar) অন্ধ অনুরাগী, কোনও এমন ম্যাচ নেই, যে ম্যাচে শচীন ব
শেষ আপডেট: 12 September 2021 17:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বপ্নের মানুষের সঙ্গে সেলফি, ভাবতেই পারেননি প্যারা অলিম্পিকে (Paralympics) সোনা জয়ী ব্যাডমিন্টন (Badminton) তারকা প্রমোদ (Pramod) ভগৎ। শচীন তেন্ডুলকারের (Sachin Tendulkar) অন্ধ অনুরাগী, কোনও এমন ম্যাচ নেই, যে ম্যাচে শচীন ব্যাটিং করছেন, তিনি তা টিভিতে দেখেননি। এমনও হয়েছে প্র্যাকটিস থামিয়েও শচীনের খেলা দেখেছেন।
সেই মানুষটির সঙ্গে যখন দেখা হয়েছে, তখন আনন্দে কথা বলার ভাষা হারিয়েছেন প্রমোদ। মাস্টারের সঙ্গে দেখার করার পর টুইটারে একটি ছবি পোস্ট করেছেন প্রমোদ।
শচীনের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘‘ছোটবেলার স্বপ্ন পূরণ হল! আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না, আমি এতটা খুশি। যখন ছোট ছোট ছিলাম তখন শচীন স্যারের ব্যাটিং থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছি।’’ এমনকি শচীনকেও প্যারা ক্রীড়াবিদ বলেছেন, ‘‘যে কথাগুলো আপনি বললেন, সেটা সারা জীবন মনে রাখব এবং আমাকে সারা জীবন অনুপ্রাণিত করবে। আমার হৃদয়ের অন্তঃস্থল থেকে আমি ধন্যবাদ জানাই। আজ রাতে আমার ঘুম হবে না।’’
https://twitter.com/PramodBhagat83/status/1435619938249543685
৪ বছর বয়সে পোলিও-তে আক্রান্ত হয়েছিলেন প্রমোদ। কিন্তু তিনি ভেঙে পড়েননি। বরং লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। একটি সাক্ষাৎকারে প্রমোদ বলেছেন, ‘‘আমি ছোটবেলা থেকে ক্রিকেট খেলতাম। ওই সময়ে আমি টিভিতে ক্রিকেট ম্যাচই দেখতাম। আমি সব সময়ে শচীন স্যারের শান্ত আচরণে মুগ্ধ হতাম। তিনি এমনভাবে মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতেন, সেটা আমার ব্যাডমিন্টনেও কাজে এসেছে।’’
আরও পড়ুন: জ্যোতিবাবুরাও খেলা ভালবাসতেন, কিন্তু তৃণমূল নেতাদের মতো পদ নেওয়ার মোহ ছিল না
টোকিও প্যারালিম্পিক ফাইনাল ম্যাচেও ওই রসায়নেই কাজে এসেছে। প্রমোদ বলেছেন, ‘‘যখন আমি ফাইনালের দ্বিতীয় গেমে ৪-১২ পিছিয়ে পড়েছিলাম, তখনও আমি লড়াই ফেরার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। স্নায়ু ধরে রেখে, মাথা ঠাণ্ডা করে লড়াইয়ে ফিরেছিলাম এবং ম্যাচটা জিতেও যাই।’’ স্ট্রেট গেমে পরাজিত করেন ব্রিটিনের ড্যানিয়েল বেথেলকে। ম্যাচের ফল ২১-১৪, ২১-১৭।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'