দ্য ওয়াল ব্যুরো : ভারতীয় ফুটবলের বর্ষসেরা ফুটবলার হলেন গোলরক্ষক গুরপ্রিৎ সিং সাঁধু। যাঁকে এ দেশের ফুটবলমহল ‘স্পাইডারম্যান’ হিসেবেই জানে।
প্রতিবার ভারতীয় ফুটবলে সেই একই গল্প, বারবার সুনীল ছেত্রীর বর্ষসেরা হওয়ার পরে এবারই স্বাদবদল। আর যিনি এই সম্মান পেলেন, তিনি এই মুহূর্তে ভারতীয় ফুটবলের অন্যতম আইকন। এর আগে ২০০৯ সালে আরও এক গোলরক্ষক বাংলার সুব্রত পাল ফেডারেশনের বিচারে বর্ষসেরা হয়েছিলেন। তারপর গোলরক্ষকদের জন্য এই স্বীকৃতি অধরাই ছিল। যা এল ফের পাঞ্জাব তনয়ের হাত ধরে।
বেঙ্গালুরু এফসি-র নামী গোলরক্ষক ফেডারেশনের ওয়েবসাইটে জানিয়েছেন, ‘‘আমি এই পুরস্কার অর্জন করে সম্মানিত, গর্বিতও। কারণ আমি কোনওদিনও এই স্বীকৃতি পাইনি। প্রতিবারই প্রায় আমাদের সুনীল ভাই (ছেত্রী) এটা পেত, আর আমি ভাবতাম সত্যিই কী আমি এই সম্মানের যোগ্য নই?’’
গুরপ্রিতের পুরস্কার পাওয়ার ঘটনাটি পরিষ্কার হয়ে যায় কাতারের বিপক্ষে ম্যাচে তাঁর দুরন্ত পারফরম্যান্স। এশীয় চ্যাম্পিয়শিপে নিজেদের ঘরের মাঠে কাতারকে রুখে দিয়েছিল ভারত, আর সেই ব্যাপারে দারুণ ভূমিকা ছিল এই দীর্ঘকায় গোলরক্ষকের। তিনি জানিয়েছেন, ‘‘অনেকে পুরস্কারের জন্য আমার ওই ম্যাচের কথা বলবেন, কিন্তু আমি মনে করি সেদিন আমাদের গোটা দল ভাল খেলেছিল। তারই সাফল্য হিসেবে ম্যাচটি ড্র করতে পেরেছিলাম।’’
ভারতীয় মহিলা ফুটবলের বর্ষসেরা হয়েছেন সঞ্জু যাদব। ২২ বছরের এই ফরোয়ার্ডও হরিয়ানার। তাঁকে মহিলা ফুটবলের বাইচুং বলা হচ্ছে, তুখোড় ফুটবলবুদ্ধি, সেইসঙ্গে দারুণ পাসিং ফুটবলের জন্য তিনি দলেও বিশেষ প্রসিদ্ধ। সঞ্জুও বলেছেন, ‘‘আমার ভাল লাগছে খুব অল্পবয়সেই এই সম্মান পেয়েছি। এতে আমার ভাল খেলার জেদটাও আরও বেড়ে গেল।’’
এদিকে, এমার্জিং ফুটবলারের সম্মান পেয়েছে অনিরুদ্ধ থাপা। প্রতিশ্রুতিমান ফুটবলারের মর্যাদা পেয়েছে এই তরুণ মিডফিল্ডার। মহিলা ফুটবলের প্রতিশ্রুতিমান হয়েছেন রতনবালা দেবী। সেরা রেফারি হয়েছেন মনিপুরের অমিত কুমার মিতাই। সহকারী রেফারিদের মধ্যে সেরা তামিলনাড়ুর পি ভায়রা মুথু। সেরা ফুটবল পরিকাঠামোর মর্যাদা পেয়েছে কলকাতার বেবি ফুটবল লিগ।