দ্য ওয়াল ব্যুরো: টোকিও অলিম্পিকে কোনও অ্যাথলিটের করোনা ধরা পড়লে তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে পত্রপাঠ বিদায় করে দেওয়া হবে। কারণ জাপান প্রশাসন কোভিড বিধি নিয়ে খুবই কড়া। প্রতিটি অ্যাথলিটকে নির্দেশাবলী দেওয়া হয়েছে, তাতে লেখা রয়েছে, তাঁদের কী করতে হবে। কোনটাই বা করা যাবে না। সেই মতো প্রতিটি দেশের শেফ দ্য মিশনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে শর্তাবলী।
অলিম্পিকের যে স্পোর্টস স্পেসিফিক রেগুলেশন (এসএসআর) রয়েছে, তাতে উল্লেখ রয়েছে, প্রতিদিনই অ্যাথলিটদের কোভিড পরীক্ষা করা হবে। শুধু তাই নয়, কিছু কিছু ক্ষেত্রে সকাল-বিকেল দু’বেলা পরীক্ষা হতে পারে। যে কোনও ইভেন্টে নামার আগে সেই অ্যাথলিটদকে কোভিড রিপোর্ট দাখিল করতে হবে সেই ইভেন্ট ম্যানেজারকে।
এও বলে দেওয়া হয়েছে, কোনও ইভেন্টে নামার আগে যদি রিপোর্ট পজিটিভ আসে, সেক্ষেত্রে তাঁকে ওই ইভেন্টে শুরুই করতে দেওয়া হবে না। তাঁকে বাতিল করে দেওয়া হবে। পাঠিয়ে দেওয়া হবে কোয়ারেন্টিনে। একমাত্র কোনও প্রতিযোগী যদি ফাইনালে ওঠেন, তা হলেই নিয়ম শিথিল করা হয়েছে। সেই ম্যাচটি ওয়াকওভার দেওয়া হবে, বিজয়ী ঘোষিত হবে বিপক্ষ প্রতিযোগীকে। আর যিনি করোনা আক্রান্ত, তাঁকে রুপো পদক দেওয়া হবে।
এবার অলিম্পিকে হকি, ফুটবল, হ্যান্ডবল, রাগবি দলগত খেলাগুলিতে একজন করে সুপার-সাব থাকবে। তার মানে দলের কেউ করোনা আক্রান্ত হলে তাঁকে বাতিল করে দেওয়া হবে, তাঁর বদলে আনা হবে অন্য এক খেলোয়াড়কে। সেই হিসেবেই দলগঠন করা হয়েছে। প্রতিটি দলই তিনজন করে বাড়তি খেলোয়াড় নিতে পারবে।
আরও একটি বিষয়ও উল্লেখ রয়েছে নিয়মে, সেটি হল কোনও ব্যক্তিগত ইভেন্টে দুই প্রতিযোগী কোভিডে আক্রান্ত হলে ওই ফাইনালে লটারির ভিত্তিতে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স নির্ধারণ করা হবে।
যে গাইডলাইন রয়েছে, তাতে এও উল্লেখ রয়েছে, গেমস আসরে অংশ নিতে গেলে সব অ্যাথলিটদের দুটি ভ্যাকসিনের সার্টিফিকেট নিয়ে পৌঁছতে হবে। জাপান প্রশাসন কোনও অ্যাথলিটকে করোনা টিকা দেওয়ার দায়িত্ব নেবে না।