
শেষ আপডেট: 15 January 2024 13:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইএফএ-র নতুন সচিব অনির্বাণ দত্তের হাত ধরে বাংলা ফুটবলে গতি এসেছে। তিনি চেষ্টা করছেন যাতে বাংলার ফুটবলের সোনালি দিনগুলি আবারও যেন ফেরে। তার মধ্যেই প্রতিবন্ধকতাও আসছে। কিন্তু সেগুলি দু’হাত দিয়ে সরিয়ে উন্নতির জন্য তিনি বাকি কর্তাদের মস্তিষ্কও কাজে লাগাচ্ছেন। অনির্বাণ চান সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে। তিনি মনে করেন, সবাই আন্তরিকভাবে কাজ না করলে ভাল জিনিস সম্ভব হবে না।
অনির্বাণ এমনিতেই প্রশাসক বাড়ির ছেলে। বাবা কিংবদন্তি প্রশাসক প্রদ্যোৎ দত্ত তাঁর বাবা। তাঁর জ্যাঠমশাই প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি বিশ্বনাথ দত্ত। যিনি আবার প্রয়াত জগমোহন ডালমিয়ার প্রশাসনিক জীবনের গুরু ছিলেন। অনির্বাণের দাদা সুব্রত দত্ত বহুদিন ধরে ফেডারেশনের সহ সভাপতি ছিলেন। তিনি বর্তমানে আইএফএ-র চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন। অনির্বাণও বাবার মতোই দাপুটে কর্তা। তিনি নিষ্ঠা, পরিশ্রম ও সততাকে পাথেয় করে এগোতে চান। তিনি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সংস্থার সংবিধান মেনে যদি কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়, তাই নিতে হবে। সেই কারণেই তিনি মোহনবাগানের ‘অন্যায় আবদার’কে প্রশয় দেননি।
সম্প্রতি আইএফএ-র উদ্যোগে জার্মান কনস্যুলেটের সহায়তায় বাংলার মোট দশটি কোচিং ক্লিনিকের ২০০ জন খুদে শিক্ষার্থী ফুটবলারদের হাতে ৪৫০টি বলসহ জার্সি ও অন্যান্য কিটস তুলে দেওয়া হয়েছে। এই কাজের সফল রূপকার অনির্বাণই। তিনি জানিয়েছেন, "বাংলার ফুটবলে প্রতিভার শেষ নেই। এই কথা আমরা যুগ যুগ ধরে শুনে আসছি। কিন্তু সেই ফুটবলার তুলে আনার প্রধান দুটো বিষয় হল, ভাল মাঠ ও খেলোয়াড়দের সরঞ্জাম। সেগুলিই আসল। আধুনিক কোচিংও অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। আমাদের কাজে এগিয়ে এসেছে জার্মান কনস্যুলেট।"
কলকাতার জার্মান কনস্যুলেট বারবারা ভসও অনুষ্ঠানে হাজির থেকে গ্রামের ছেলেদের উৎসাহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, জার্মান ফুটবলের ঐতিহ্য সারা বিশ্বে সমানভাবে শ্রদ্ধা পেয়ে থাকে। জার্মানি ফুটবলের শিক্ষা যদি কিছুটাও এই শিক্ষার্থীরা পাওয়ার সুযোগ পায়, তা হলেও অনেকটা উপকৃত হবে। আগামী দিনে কোনও জার্মান কোচকে এনে কোচিং দেওয়ার কাজও হতে পারে।
আইএফএ সচিবও জানিয়েছেন, আমরা শুধু শিক্ষার্থী ফুটবলারদের নিয়েই কাজ করা নয়, পরবর্তী ক্ষেত্রে বিশ্বের নামী ব্যক্তিত্বদের এনে কোচিং ও রেফারিদের ক্লিনিক করারও চেষ্টা করব।