দ্য ওয়াল ব্যুরো: টোকিও অলিম্পিক শেষ হওয়ার পরেই মঙ্গলবার শুরু হয়ে গেল প্যারালিম্পিক মেগা ইভেন্ট। টোকিওর বুকেই এদিন সাড়ম্বরে সূচনা ঘটল অনুষ্ঠানের। করোনার কারণে অ্যাথলিটরা বেশি কেউ মার্চ পাস্টে অংশ নেননি। ভারতের মোট ১১ জন সদস্য হাজির ছিলেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। তার মধ্যে ছয়জন কর্তা ও মাত্র ৫ জন অ্যাথলিট ছিলেন। ভারতের শেফ দ্য মিশন গুরুশরণ সিং এমন জানান মিডিয়া প্রতিনিধিদের।
ভারতীয় প্যারালিম্পিক কমিটির সচিব গুরুশরণ সিং বলেছেন, “উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য মাত্র ছয় কর্মকর্তাকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে, যেখানে অ্যাথলিটদের ওপর কোনও নির্দেশ নেই, তারা না এলেও কিছু বলা হবে না। কারণ করোনার কারণে আমরা ছাড় দিয়েছি।’’
ভারতীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টেয় প্যারালিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গতবারের সোনা জয়ী হাইজাম্পার মারিয়াপ্পান থাঙ্গাভেলু ছিলেন না। দেশের পতাকাবাহক হিসেবে তাঁর নামই চূড়ান্ত করেছিল কমিটি। কিন্তু পরিবর্ত পরিস্থিতিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেই থাকতে পারছেন না রিও প্যারালিম্পিকের সোনাজয়ী হাই জাম্পার।
টোকিও যাওয়ার বিমান ধরার সময় করোনা সংক্রমিত এক বিদেশি যাত্রীর সংস্পর্শে এসেছিলেন ভারতীয় হাই জাম্পার গেমস ভিলেজে পৌঁছেও তাই কোয়ারান্টিনে থাকতে হবে থাঙ্গাভেলুকে।
যদিও ভারতের ডিসকাস থ্রোয়ার বিনোদ কুমার, জ্যাভলিন থ্রোয়ার টেক চাঁদ ও ভারোত্তোলক জয়দীপ ও সাকিনা খাতুন উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠান মঞ্চ আলো করে।
https://twitter.com/narendramodi/status/1430138565455859718
টোকিও অলিম্পিকে ভারতীয় অ্যাথলিটদের শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। টুইটে কোহলি বলেন, ‘‘টোকিও প্যারালিম্পিকে অংশ নেওয়া ভারতীয় অ্যাথলিটদের প্রতি শুভেচ্ছা রইল। প্রত্যেকের জন্য আমি গলা ফাটাব। আমি নিশ্চিত তোমরা সবাই আমাদের গর্বিত করবে।’’ একইভাবে তাঁদের জন্য সমর্থনের কথা বলেছেন শচীন তেন্ডুলকারও।
এমনকি এদিন অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার দিল্লিতে নিজের দপ্তরে বসে দেখেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। তিনিও এক বার্তায় বলেছেন, ‘‘প্যারা অ্যাথলিটদের শুভকামনা জানাই, তাঁদের পাশেও থাকবে সারা দেশ।’’