
শেষ আপডেট: 15 July 2018 17:01
দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধের জন্য মরিয়া খেলা শুরু করে ক্রোয়েশিয়া। ৪৭ মিনিটের মাথায় রেবিচের শট দারুন বাঁচান লরিস। ৫৯ মিনিটের মাথায় কাউন্টার থেকে বাঁ পায়ের প্লেসিংয়ে গোল করে ৩-১ করেন পোগবা। ৬ মিনিট পরেই বক্সের বাইরে থেকে দূরপাল্লার শটে গোল করে ৪-১ করেন এমব্যাপে। পেলের পর তিনি দ্বিতীয় টিনএজার যিনি বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করলেন।
তারপরেও হার মানেনি ক্রোয়েশিয়া। মড্রিচের নেতৃত্বে একের পর এক আক্রমণ করতে থাকে ক্রোয়েশিয়া। ৬৯ মিনিটের মাথায় লাইফ লাইন পায় তারা। গোলের সামনে ফরাসী গোলকিপার লরিসের ক্ষমার অযোগ্য ভুলে গোল করেন মানজুকিচ। বাকি সময়টা খেলা হলো ক্রোয়েশিয়ার আক্রমণের সঙ্গে ফ্রান্সের ডিফেন্সের। কিন্তু মাঝে মধ্যে ক্রোয়েশিয়ার অল আউট আক্রমণের ফলে কাউন্টারে কিছু সুযোগ তৈরি করে ফ্রান্স। কিন্তু কোনও দলই গোল করতে পারেনি। ফলে ৪-২ গোলে জিতে গেল ফ্রান্স।
এই জয়ের ফলে ২০ বছর পর ফের বিশ্বের সেরা শিরোপা পেল ফ্রান্স। বিশ্বকাপ গেল আইফেল টাওয়ারের দেশে। সেই সঙ্গে ব্রাজিলের জিগালো ও জার্মানির বেকনবাউয়ারের পর তৃতীয় ব্যক্তি হলেন দেশঁ যিনি খেলোয়াড় ও কোচ দুই ভূমিকাতেই পেলেন বিশ্বকাপ। অন্যদিকে হারলেও দুরন্ত খেললেন মড্রিচরা। হেরে গেলেও গোটা দুনিয়া কুর্নিশ জানালো মাত্র ৪১ লাখ জনসংখ্যার ছোট্ট দেশ ক্রোয়েশিয়ার লড়াইকে।