দ্য ওয়াল ব্যুরো : চলতি আইপিএলে আগুনে গতিতে রেকর্ড গড়লেন দিল্লি ক্যাপিটালসের দক্ষিণ আফ্রিকান পেসার অ্যানরিচ নর্টজে।
তিনি বুধবার দুবাইয়ের ম্যাচে রাজস্থানের বিরুদ্ধে একটি ওভারে সর্বোচ্চ ১৫৬.২ কিমি গতিতে বোলিং করেছেন, যা মাইলের হিসেবে ধরলে ৯৩ মাইল গতিবেগ হবে। এবং তাৎপর্য্যের বিষয়, ওই ওভারেই নর্টজের বোলিং গতিবেগ ছিল গড়ে প্রায় ১৫০ কিমি।
ওই ওভারে টানা গতিতে বোলিং করেছিলেন নর্টজে, কিন্তু প্রথম পাঁচ বলে বিপক্ষ ব্যাটসম্যান যশ বাটলার নিয়েছিলেন ১৫ রান। বাকি ছিল একটি বল, ওই ডেলিভারির গতি ছিল ১৫৫ কিমি, সেই গতিতে পরাস্ত হন বাটলার।
দক্ষিণ আফ্রিকান পেসারের ওই ওভারের বিশেষত্ব হচ্ছে, আইপিএল ইতিহাসে এর চেয়ে দ্রুতগতির ডেলিভারি ওভার আগে হয়নি। সেই ওভারের পঞ্চম বলটি ছিল প্রতি ঘণ্টায় ১৫৬.২ কিলোমিটার গতিবেগের। আইপিএল ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে জোরে কোনও ডেলিভারি। শুধু তাই নয়, আইপিএল ইতিহাসে দ্রুতগতির তিন ডেলিভারির রেকর্ডও নর্টজের দখলে।
খেলার সময় অবশ্য বুঝতে পারেননি তিনি কী নজির গড়েছেন। ম্যাচ শেষে ধারাভাষ্যরা তাঁর কানে রেকর্ডের কথা তোলেন। তিনি সেইসময় জানান, ‘‘সত্যি, আমি পরে জানতে পেরেছি রেকর্ডের ব্যাপারে। ওই সময় বুঝতে পারিনি। গতি বাড়ানোর জন্য কঠিন পরিশ্রম করে চলেছি আমি। দুই পা এবং ডান হাতের কার্যকরিতা আরও বাড়াতে কাজ করছি আমি। তবে গতির সঙ্গে আবার সঠিক জায়গায় বোলিং করাও জরুরি। না হলে সাফল্য আসবে না।’’
আরও একটি মজার তথ্য এই যে, নর্টজের করা সবচেয়ে দ্রুতগতির ডেলিভারিটিতে স্ক্রুপ করে ফাইন লেগে চার মেরেছিলেন বাটলার। তবে বোল্ড হয়ে যান ১৫৫.২ কিমি গতিতে করার পরের ডেলিভারিতেই। বাটলারের বিপক্ষে লড়াইটি উপভোগ করেছেন দীর্ঘদেহী এই প্রোটিয়া পেসার।
দিল্লি ক্যাপিটালসের নামী পেসার বলেছেন, ‘‘বাটলারের বিপক্ষে লড়াইটা দুর্দান্ত ছিল। আমি জানতাম বাটলার স্ক্রুপ শট ভাল খেলে, তাই ওকে প্রলুব্ধ করতে গিয়েছিলাম, একটায় আমি ঠকে যাই, তবে পরের বলেই ও আউট হয়ে যায়। তবে আমি নিজের শক্তির ওপরেই নির্ভর করছিলাম। উইকেটের চরিত্র বুঝে কিছু বৈচিত্র আনার চেষ্টায় ছিলাম।’’
আইপিএল ইতিহাসে রকেট গতির ডেলিভারি : অ্যানরিচ নর্টজে : ১৫৬.২ কিমি প্রতি ঘণ্টা; অ্যানরিচ নর্টজে : ১৫৫.২ কিমি ; অ্যানরিচ নর্টজে : ১৫৪.৭ কিমি; ডেইল স্টেইন - ১৫৪.৪ কিমি; কাগিসো রাবাদা : ১৫৪.২ কিমি।