দ্য ওয়াল ব্যুরো : মোহনবাগানের জার্সি নিয়ে যখন বিতর্ক চলছে, সেইসময় শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গলের তিনটি নয়া জার্সির আত্মপ্রকাশ ঘটল। ২০১৪ সাল থেকে লাল হলুদের কিট স্পনসর রয়েছে। প্রথমে তাদের কিট স্পনসর ছিল শিব নরেশ, তারপর পার্ফ নামে একটি সংস্থা তাদের জার্সি দিলেও পরে পাকাপাকিভাবে চুক্তি হয় কাইজেন স্পোর্টসের সঙ্গে।
শ্রী সিমেন্ট আসার পরে নয়া কিট স্পনসর পেয়েছে ক্লাব, ২০২০-২১ মরসুমের জন্য টিওয়াইকেএ (TYKA) তাদের কিট দেবে। এই সংস্থা মূলত বিশ্বের নামী অ্যাথলিটদের কিটস-সরঞ্জামের ব্যবস্থা করে থাকে। এর ভারতে মূল অফিস জলন্ধরে। এমনকি আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদেরও কিট স্পনসর এই সংস্থা। কেন উইলিয়ামসন, ডেভিড ওয়ার্নারদের জার্সি ও প্র্যাকটিসের নানা সরঞ্জাম দিচ্ছে এই কোম্পানি।
আইএসএলের জন্য সোমবারই ইস্টবেঙ্গলের তরফে তিনটি জার্সির আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। একটা হোম জার্সি, যার রং লাল হলুদ, মশাল তার প্রতীক। অ্যাওয়ে জার্সিটি নীল-সাদা রংয়ের, তাতে লাল হলুদের কোনও চিহ্নই নেই, এই জার্সির প্রতীক ইলিশ, আর তৃতীয় কিট ব্যবহার হবে প্র্যাকটিস, কিংবা কোনও দলের জার্সির সঙ্গে মিলে গেলে সেটি পরে খেলবেন ফুটবলাররা। এর প্রতীক রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। প্রসঙ্গত, আগামী ২৭ নভেম্বর এটিকে-মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে আইএসএলে নিজেদের অভিযান শুরু করবে এস সি ইস্টবেঙ্গল।
ঘরের মাঠে যে জার্সি পরে খেলবে, সেটি দেখে সমর্থকদের মন খুশিতে ভরে উঠেছে। এই জার্সির নকশা দারুণ আকর্ষণীয়। কিন্তু অ্যাওয়ে জার্সি দেখে সমর্থকদের একটা অংশ ক্ষুব্ধ, তাঁদের মতে, এতে তো কোনও লাল হলুদের নিশানই নেই। শুধু বুকে একটা লাল হলুদের লোগো ছাড়া। আর তৃতীয় জার্সিতে অবশ্য ইস্টবেঙ্গলের আসল রংয়ের আভাস রয়েছে। যে সংস্থা কিট স্পনসর, তারা আবার আরব আমিরশাহী ফুটবল দলকেও স্পনসর করে।
এদিকে, ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁবুর বিন্যাস নিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে ইনভেস্টর ও কর্তাদের মধ্যে। ইনভেস্টর চাইছে তাঁবুর ভোলবদল করে ফেলতে। কিন্তু সেটিতে আপত্তি রয়েছে কর্তাদের। এও শোনা যাচ্ছে, বোর্ড অব ডিরেক্টরসে ক্লাব থেকে দেবব্রত সরকার ও সৈকত গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম প্রতিনিধি হিসেবে থাকবে।