দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইস্টবেঙ্গলে সমস্যার শেষ নেই। সমর্থকরা জানিয়ে দিয়েছেন তাঁরা বিক্ষোভ দেখাবেন বুধবার বিকেলে তাঁবুতে। তার আগে তাদের প্রস্ততি চলছে জোরকদমে। কেন বিনিয়োগকারীদের চুক্তিপত্রে কর্তারা সই করবেন না, এই নিয়ে তারা জবাবদিহি চায় কর্তাদের কাছে।
মূলত দুটি বিষয় তুলে ধরা হয়েছে বক্তব্যে, এক, ক্লাবের স্বাধীনতা বজায় রেখে কিভাবে চুক্তিতে সই করা যেতে পারে, সেই রাস্তা ভাবতে হবে। দ্বিতীয়ত, বিনিয়োগকারীদের যে চুক্তিপত্র রয়েছে, তা প্রকাশ্যে আনতে হবে। কারণ কর্তারা চুক্তি নিয়ে নানা কথা বললেও সেটি প্রকাশ্যে আনছেন না। এই নিয়ে বিরোধিতা করা হয়েছে।
ইতিমধ্যেই ইনভেস্টরদের সঙ্গে ক্লাব প্রশাসনের চুক্তিজট নিয়ে প্রাক্তনদের একাংশ জোর প্রতিবাদ করেছেন। মুখ খুলেছেন মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য থেকে দেবজিৎ ঘোষ, কিংবা গৌতম সরকারও জানিয়েছেন, প্রশাসনিক বিষয় সমর্থকরা জানেন না, তাঁরা শুধু জানে দল খেলবে আইএসএলে, সেটাই এই মুহূর্তে ভাবনা হওয়া উচিত।
এই নিয়ে মঙ্গলবার তাঁবুতে সভায় বসেছিলেন লাল হলুদ শীর্ষ কর্তারা। তাঁরা আলোচনা করেন, কী করে এই সমস্যা থেকে পরিত্রান পাওয়া যেতে পারে। যদিও প্রাক্তনদের মুখ খোলায় ক্লাব অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে পড়ছে।
সেই জন্যই এদিন লিখিত বিবৃতি দিয়েছেন ক্লাব সচিব কল্যাণ মজুমদার। তিনি লিখেছেন, চুক্তি সংক্রান্ত বিষয়ে কিছু জানার থাকলে দলের প্রাক্তনরা তাঁবুতে এসে আলোচনা করতে পারেন। কিন্তু কোনও মিডিয়ার সামনে মুখ খোলা যাবে না। এও শীর্ষ কর্তা জানিয়েছেন, প্রাক্তন ফুটবলাররা ক্লাবে এসে চুক্তিপত্র সবিস্তারে দেখে গিয়ে এমন মন্তব্য করুন।
এর মধ্যে আবার বিক্ষোভ সমাবেশে নজরদারি করতে ক্লাব প্রশাসন থেকে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। তাঁরা যাতে ঘরে বসে ওই বিক্ষোভ দেখতে পারেন, তার জন্যই কর্তাদের এমন ব্যবস্থা। ফ্যান ক্লাবগুলি আবার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপের অনুরোধ করেছেন।