
শেষ আপডেট: 10 April 2024 21:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোথায় প্লে অফ সুপার সিক্স! এটা তো একেবারে হারাকিরি। যে ম্যাচটিকে পাখির চোখ করেছিলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাত। সেই ম্যাচে পাঞ্জাব এফসি-র কাছে চার গোল হজম ও লজ্জার হার খুব দ্রুত ভুলতে চাইবেন সমর্থকরা।
দিল্লি স্টেডিয়ামের এই ম্যাচে জিতলে ইস্টবেঙ্গলের সুপার সিক্সে যাওয়ার একটা সুপ্ত আশা থাকত। কারণ সেইসময় আবার চেন্নাইয়িন এফসি-কে শেষ ম্যাচে হারতে হতো। কিন্তু সেইসব হিসেবের দরকারই পড়ল না। বুধবার ম্যাচটিতে ইস্টবেঙ্গলের হার ৪-১ গোলে।
ইস্টবেঙ্গল ও পাঞ্জাব এফসি তালিকায় একেবারে গা ঘেষাঘেষি করে রয়েছে। পাঞ্জাব জিতে ২৭ পয়েন্ট নিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে টপকে গেল। দশ দলের ম্যাচে লাল হলুদ শেষ থেকে এক না দুইয়ে কোথায় শেষ করে সেটাই দেখার।
খেলার ১৯ মিনিটের মাথায় ইস্টবেঙ্গলের জর্ডান গিল গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন। লাল হলুদের হয়ে ২৫ মিনিটে দারুণ একটি গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর পাঞ্জাব দলের পক্ষে ৪৩ মিনিটে মাদিহ তালাল গোল করেন। ৬৩ মিনিটে ফের এগিয়ে দেন জর্ডান। ৭০ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলের কফিনে শেষ পেরেক পোঁতেন লুকা মাজসেন।
এদিন লাল হলুদের খেলা দেখে সমর্থকরা হতাশ হয়েছেন। ফায়ার সিকিউরিটির জন্য দিল্লির মাঠে কোনও দর্শক ছিল না। ফাঁকা গ্যালারির সামনে লাল হলুদের শেষ ম্যাচেও এমন হতশ্রী পারফরম্যান্স সমর্থকদের কষ্টকে আরও বাড়াল।
গত ম্যাচে বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে দারুণ জয় তুলে আনার পরে লাল হলুদ সমর্থকদের মধ্যে আশার সঞ্চার ঘটেছিল। কিন্তু বুধবার ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের খেলার মধ্যে কোনও দিশা দেখা যায়নি। বরং ম্যাচে অজস্র মিস পাস, উদ্দেশ্যহীনতা ব্যর্থতার দিকে ঠেলে দিয়েছে। শেষ ম্যাচে যে দলের ফুটবলারদের মধ্যে কোনও তাগিদ ছিল না, সেটি পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। অথচ এই ম্যাচ জিতলে শেষ ম্যাচে চেন্নাই হারলে প্লে অফে যাওয়ার আশা থাকত। কিন্তু কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাতের কোচিংয়ে দলের শেষ ম্যাচে এমন কদর্য হার সমর্থকদের আরও হতাশার চাদরে ঢেকে দিল।