
গোল করছেন লাল চুনুঙ্গা
শেষ আপডেট: 22 February 2025 18:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিল্লির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে যেন এক অন্য ইস্টবেঙ্গল এফসি-কে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। পঞ্জাব এফসি-র বিরুদ্ধে তারা খেলতে নেমেছে। এই ম্যাচে ইতিমধ্যে ৩-০ গোলে এগিয়ে রয়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। ১৪ মিনিটে প্রথম গোলটি করেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের 'গ্রিক গড' দিমিত্রিয়স দিয়ামান্তাকোস। আর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ইনস্যুরেন্স গোল করলেন ভারতীয় ফুটবলার নাওরেম মহেশ সিং। এই ধাক্কা কাটতে না কাটতেই পঞ্জাবের জালে তৃতীয় গোলটি করলেন লালচুনুঙ্গা। অ্যাওয়ে ম্যাচে আপাতত জয়ের হ্যাটট্রিক দেখতে চাইছে লাল-হলুদ সমর্থকরা।
ম্যাচের ৪৬ মিনিটে দ্বিতীয় গোলের লিড নেয় ইস্টবেঙ্গল এফসি। দুরন্ত একটা কাট ব্যাকে বক্সের ভিতর বলটা পাঠিয়েছিলেন মেসি। লক্ষ্য ছিল পিভি বিষ্ণু। বলটাও এসেছিল বিষ্ণুর পায়েই। গোল করার চেষ্টাও করেছিলেন বিষ্ণু। কিন্তু, পঞ্জাবের গোলকিপারের সামনে তা প্রতিহত হয়। আর সেই সুযোগই খুঁজছিলেন নাওরেম মহেশ সিং। তিনি একেবারে সামনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেন্টার বক্স থেকে তিনি বটম রাইট কর্নার দিয়ে বাঁ পায়ের জোরাল শট হাঁকান। সঙ্গে সঙ্গে স্টেডিয়াম জুড়ে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা উল্লাসে চিৎকার করে ওঠেন।
এরপর ইস্টবেঙ্গলের তৃতীয় গোলটা আসে। গোল করলেন ইস্টবেঙ্গলের মিজো ফুটবলার লাল চুনুঙ্গা। ৫৩ মিনিটে সেট-পিস সিচ্যুয়েশন থেকে তাঁর ডান পায়ের জোরাল শট বটম লেফট কর্নার দিয়ে পঞ্জাবের জালে জড়িয়ে যায়। এই ব্যবধান লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে স্বস্তির হাসি এনে দিয়েছে।
ম্যাচের ১৪ মিনিটে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে প্রথম গোলটি করেছিলেন দিমিত্রিয়স দিয়ামান্তাকোস। বক্সের বাঁ-দিকে কঠিন একটি অ্যাঙ্গেল থেকে তাঁর বাঁ পায়ের শট লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি এনে দিল। তবে এই গোলের ক্ষেত্রে পঞ্জাব ডিফেন্ডার সুরেশ মেইতেই-এর কথা আলাদা করে বলতে হবে। তিনি ভুল না করলে হয়ত দিয়ামান্তাকোস গোলটা করতে পারতেন না। যে জায়গায় তিনি দাঁড়িয়ে ছিলেন, সেখান থেকে অনায়াসে বলটা ক্লিয়ার করে দিতে পারতেন। কিন্তু, বলটা নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু, শেষপর্যন্ত বলের নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারলেন না। বল দখলের লড়াইয়ে শেষপর্যন্ত দিয়ামান্তাকোস জয়ী হলেন।