
শেষ আপডেট: 20 January 2024 01:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সুপার কাপের ডার্বি ম্যাচ রাঙিয়ে দিল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। তারা শুক্রবার ভুবনেশ্বরের ডার্বি ম্যাচে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টসকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দিয়েছে। ম্যাচে প্রথমে এগিয়ে গিয়েছিল বাগানই। ম্যাচের ১৬ মিনিটে বাগানের পক্ষে প্রথম গোল দেন হেক্টর। ২৪ মিনিটে শোধ করেছিলেন ক্লেটন সিলভা। তিনিই ম্যাচের নায়ক হয়ে গেলেন। তাঁর জোড়া গোলেই লাল হলুদ সুপার কাপের সেমিফাইনালে চলে গেল।
কোচ কার্লোস কুয়াদ্রাতের স্পর্শে ম্যাজিক ইস্টবেঙ্গলের। তারা যোগ্য দল হিসেবে নকআউট রাউন্ডে চলে গেল। হাবাসের শুরুটা ভাল হল না। তিনি গ্যালারিতে থেকে দল পরিচালনা করেও সফল হলেন না। দলের সহকারী কোচ মিরান্ডা জানিয়ে দিলেন, দলের মোট ৮জন ফুটবলার না থাকাই পার্থক্য হয়ে গিয়েছে। দলের রক্ষণ সবদিক থেকে ব্যর্থ।
ফের গোল করে লাল হলুদের তারকা নন্দকুমারও নজর কেড়ে নিলেন। তিনি ৬১ মিনিটে গোল করলেন সুযোগসন্ধানীর মতো। ইস্টবেঙ্গল এগিয়ে যায় ২-১ গোলে।
ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে মোহনবাগান ও ইমামি ইস্টবেঙ্গলের মধ্যে খেলা জমে উঠেছিল। দুটি দলই একের পর এক আক্রমণে গিয়েছে। মোহনবাগান প্রথমে বিদেশি হেক্টরের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল, সেইসময় ম্যাচের বয়স ছিল ১৬ মিনিট। তারপর ২৪ মিনিটে লাল হলুদের হয়ে সমতা ফেরান ব্রাজিলীয় তারকা ক্লেটন সিলভা। রকেটে গতির শটে বল জালে জড়িয়ে দিয়েছেন।
বিরতির ঠিক আগে মোহনবাগান পেনাল্টি পায়। কিয়ান নাসিরির শট হাত দিয়ে আটকান হিজাজি। রেফারি পেনাল্টি দিলে প্রথম শটে গোল করে দেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। কিন্তু রেফারি সেই গোল নাকচ করলে পরের শটে পোস্টে লেগে ফিরে আসে। বেঁচে যায় ইস্টবেঙ্গল। না হলে তাদের ১-২ গোলে পিছিয়ে বিরতিতে যেতে হতো।
লাল হলুদ দল বিরতির পরে দারুণ খেলেছে। তারা মাঝমাঠ জমাট করে বাগানকে উড়িয়ে দিয়েছে। তাদের খেলায় সৃজনশীলতা ছিল। বিরতির পরে বাগানকে খুঁজেই পাওয়া যায়নি। লাল হলুদের একের পর এক আক্রমণে দিশেহারা হয়ে গিয়েছে হাবাসের দলের ডিফেন্স। আশিক, আনোয়ারের না থাকা সমস্যা হয়ে গিয়েছে। প্রতি পদে মনে হয়েছে বাগানের দলের মধ্যে যোগসূত্র করার লোক নেই। সেই কাজটাই লাল হলুদের হয়ে করলেন হিজাজি মাহের। তিনি জ্বলে উঠলেন, সেইসঙ্গে অধিনায়কের মতো খেলেছেন সিলভা। তিনি দেখালেন লাল হলুদ সমর্থকদের নয়নের মণি হয়ে ওঠার ক্ষমতা তাঁর রয়েছে।