দ্য ওয়াল ব্যুরো: একুশ বছরের অপেক্ষা কাটিয়ে দেশকে ভারোত্তলনে পদক এনে দিয়েছেন মীরাবাঈ চানু। মণিপুরের এই নতুন তারকাকে নিয়ে এখন দেশময় মাতামাতি। কিন্তু চানুর মন পড়ে আছে ইম্ফলের বাড়িতে। সেই সঙ্গে এবার জমিয়ে পেটপুজোটাও সেরে ফেলতে চান তিনি।
ভারত্তোলনে টোকিও অলিম্পিকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন চানু। দীর্ঘদিন ধরে কঠোর পরিশ্রমে সাফল্য এসেছে। কঠিন ডায়েট মেনে চলতে হত তাঁকে। তাই এবার যখন ঝুলিতে পদক এসেই গেছে, তখন ডায়েট ভুলে পেটপুজোয় মাততে চান ২৬ বছর বয়সি রূপোজয়ী তরুণী। প্রথমেই খেতে চান পিৎজা।
বরাবরই পিৎজা খেতে ভালবাসেন চানু। কিন্তু অলিম্পিকের প্রস্তুতি নিতে মনের মতো সুস্বাদু লোভনীয় খাবারকে বিদায় জানাতে হয়েছিল সাময়িক ভাবে। মানতে হয়েছিল কঠোর ডায়েট। পদক জয়ের পর সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা তাঁকে জিজ্ঞেস করেন, এবার কী করতে চান তিনি? চানুর সটান জবাব, সবার আগে পিৎজা খেতে চাই। অনেকদিন খাইনি। অনেক দিন ধরে এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করে আছি।
চানুর পদক জয়ের অপেক্ষায় প্রহর গুনছিল তাঁর ইম্ফলের বাড়িও। সেখানেও নাকি শনিবার হাঁড়ি চড়েনি। মেয়ের খেলার ফল না জেনে কারও মুখেই খাওয়ার জন্য রুচি ছিল না। এমনকি জলটুকুও খাননি কেউ। শুধু ছিল রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষা। রবিবার সেই বাড়িতেই মাছের নানান পদ রান্না হচ্ছে। বাড়ির কথা বলতে গিয়ে বেজায় খুশি চানুও। বলেন, 'আমি পদক না জেতা পর্যন্ত ওরা কেউ জলও খায়নি। এখন ভাল করে খাবে।'
দেশবাসীর প্রত্যাশাপূরণ করতে পেরে স্বভাবতই খুশি মীরাবাই চানু। তবে, আক্ষেপও রয়েছে। অলিম্পিকে রুপো জেতার পর প্রথম প্রতিক্রিয়াতেই তিনি বললেন, “খুব চেষ্টা করেছিলাম সোনা জেতার, জিততে পারলাম না সোনা। যদিও আমি চেষ্টার ত্রুটি রাখিনি। দ্বিতীয় বার ওয়েট তোলার পরেই বুঝেছি পদক আসছে। শুধু শান্ত ছিলাম আমি, তবে এই দিনটার জন্য কঠোর পরিশ্রম করেছি।’’
এদিকে মীরাবাঈ চানু পিৎজা খেতে চেয়েছেন শুনেই বড় ঘোষণা করেছে ডমিনোজ। ২০২১ অলিম্পিকে ভারতের প্রথম পদকজয়ীকে সারা জীবনের জন্য বিনামূল্যে পিৎজা খাওয়াবে ডমিনোজ, এমনটাই জানানো হয়েছে সংস্থার তরফে। শনিবার একথা জানিয়ে টুইট করেছে ডমিনোজ।
https://twitter.com/dominos_india/status/1418915109154471941?s=20