দ্য ওয়াল ব্যুরো: কপিল দেব (Kapil Dev) সোজা-সাপটা, যা মনে আসে, তাই বলে দেন। সেই কারণেই কলকাতায় পি সি চন্দ্র (PC Chandra) গ্রুপের একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসে ভারতের চিরশ্রেষ্ঠ অলরাউন্ডার জানিয়েছেন, ‘‘ধোনি (Dhoni) মেন্টর (mentor) হয়েছে ভাল কথা, কিন্তু এও ঠিক, আরও তিন-চারবছর পরে কোচিং টিমে এলে ভাল করত। বড়বেশি তাড়াতাড়ি চলে এল।’’
হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পরে এইপ্রথম কলকাতায় পা দিলেন কপিল। আগে মাঝেমধ্যেই চলে আসতেন শহরে, এসেই খেলতেন গলফ, চলে যেতেন টালিগঞ্জ গলফ ক্লাবে।
কপিল এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেছেন, ‘‘ধোনিকে মেন্টর করা হয়েছে টি ২০ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে। তার মধ্যে রবি শাস্ত্রী অসুস্থ, তাই বেশিদিন পারবে না কাজ করতে। তাই ধোনিকে আনা হয়েছে, তবুও বলব, আর কয়েকদিন বাদে আসতে পারত।’’
আরও পড়ুন: ফের লন্ডন যাচ্ছেন সৌরভ, ‘ভারত ভয়ে খেলল না’, ব্রিটিশ কর্তার তিরে হাওয়া গরম
ধোনি ও শাস্ত্রীর মতের মিল হবে কিনা, সেটি বোঝা যাবে টোয়েন্টি ২০ বিশ্বকাপের সময়ই। এটি বলেছিলেন গাভাসকার, সেই নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি বিশ্বকাপজয়ী ভারতের প্রথম দলনায়ক। কপিলের মতে, ‘‘এভাবে বলা যায় না, ধোনির ভাবনা একরকম, রবির ভাবনা আবার অন্যরকম। তবে সৌরভরা ধোনির ক্রিকেট মস্তিষ্ক কাজে লাগাতে চায়, সেটি বোঝা গিয়েছে।’’
টি-২০ বিশ্বকাপের ভারতীয় দল নির্বাচন নিয়েও তিনি আশাবাদী। কপিল বলেন, ‘‘কে আছে, কে নেই তা নিয়ে দুশ্চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। নির্বাচকমণ্ডলী, অধিনায়ক এবং কোচ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেই এই দল গড়েছে। আমি সবসময় ইতিবাচক ভাবনায় বিশ্বাসী, সেটি এবারও বলতে চাই।’’
ভারতীয় পেসারদের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ কিংবদন্তি। কপিলের সঙ্গে বুমরার তুলনা আসছে, সেই নিয়ে কিছু বলতে চাননি। এদিন বাইপাসের ধারে এই অনুষ্ঠানে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তিনিই কপিলকে সংবর্ধিত করেন, একটি মানপত্র তুলে দেন।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'