
স্টিফেন ফ্লেমিং
শেষ আপডেট: 30 March 2025 13:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এক সময় যে চিপক স্টেডিয়ামকে চেন্নাই সুপার কিংসের অভেদ্য দুর্গ বলে মনে করা হত, তার দেয়ালে ফাটল ধরেছে। যার হাতেগরম ফল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ৫০ রানে পরাজয়। আর এই পড়তি ফর্মের জন্য নিজেদেরই দুষলেন সিএসকে কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং৷ জানালেন, শুধু এবার নয়, গত কয়েক মরশুম ধরেই তাঁরা চিপকের পিচের ‘রহস্য’ বুঝে উঠতে পারছেন না। তাই এক সময় যে ‘হোম অ্যাডভান্টেজে'-র ফায়দা নিতেন তাঁরা, সেটা আপাতত বিশ বাঁও জলে!
আরসিবির বিরুদ্ধে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় হোম ম্যাচে পরাজয়ের কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ফ্লেমিংয়ের ব্যাখ্যা, ‘এই নিয়ে বিষয়টা বহুবার বলেছি। চিপকে আমাদের আর কোনও হোম অ্যাডভান্টেজ নেই। আমরা এখানকার পিচের চরিত্রই বুঝতে উঠতে পারিনি। গত দু'বছর ধরে এটা হয়ে চলেছে। তাই এটা নতুন কিছু নয়৷’
উল্লেখ্য, চলতি আইপিএল শুরুর আগে মহা নিলামে একাধিক স্পিনার কেনার দিকে ঝুঁকেছিল চেন্নাই শিবির৷ আর অশ্বিনের মতো অভিজ্ঞ তারকাও ফিরে আসেন৷ নজরে ছিল চিপকের পিচ। যেটা ঐতিহাসিকভাবে ধীরগতির এবং স্পিনার-বান্ধব হয়ে এসেছে। যদিও এই তত্ত্ব মানতে নারাজ সিএসকে কোচ৷ বলেন, ‘এটা সেই পুরনো দিনের চিপক নয়, যেখানে চারজন স্পিনার খুব সহজেই খেলানো যাবে৷ এখন আমাদের খুব কষ্ট করে পিচের ধরনধারন বুঝতে হচ্ছে। এটা সত্যিই আগের চাইতে আলাদা।’
হিসেবও বলছে, ফ্লেমিংয়ের বক্তব্যে তেমন কিছু ভুল নেই। গত মরশুমে চিপকের বাইশ গজ সেভাবে স্পিনারদের সাহায্য করেনি। অথচ স্পিন-অস্ত্রেই বরাবর প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করে এসেছে চেন্নাই৷ আগের সিজনে সিমাররা সাকুল্যে ৭৪টি ও স্পিনাররা ২৫ খানা উইকেট দখল করেন।
প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের পর প্রথমবার চিপক স্টেডিয়ামে আরসিবির হাতে সিএসকে বাহিনীকে পরাস্ত হতে হয়েছে৷ আর এই পরাজয়ের জেরে টেবিলে আপাতত আট নম্বরে রয়েছেন ধোনিরা। অন্যদিকে দুটি ম্যাচের দুটিতেই জিতে চার পয়েন্ট সমেত শীর্ষে বেঙ্গালুরু।