
শেষ আপডেট: 1 July 2018 20:49
ম্যাচের শুরুটা দেখে মনে হয়েছিল এই ম্যাচেও গোলের বন্যা বইবে। এই বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল করেন ডেনমার্কের মাথিয়াস জর্জেনসন। লম্বা থ্রো থেকে আসা বল ক্রোয়েশিয়া বক্সে পেয়ে পায়ের জঙ্গলের মাঝে শট করেন। বল জড়িয়ে যায় জালে। ৫৮ সেকেন্ডের মাথায় এগিয়ে যায় ডেনমার্ক। কয়েক মিনিট পরেই সমতায় ফেরে ক্রোয়েশিয়া। চার মিনিটের মাথায় গোল করে দলকে সমতায় ফেরান মানজুকিচ। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-১ গোলেই।
দ্বিতীয়ার্ধের গোটা সময়ের অধিকাংশ সময় জুড়ে বল দখলে রাখল ক্রোয়েশিয়া মাঝমাঠ। কিন্তু গোল এল না। ক্রোয়েশিয়ান ফরওয়ার্ড লাইনের সামনে চিনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে পড়েন ডেনিশ গোলরক্ষক সেমিচেল। মাঝে মাঝে প্রতিআক্রমণে আসে ডেনমার্কও। কিন্তু গোলের মুখ খুলতে পারেনি।
শুরু হয় এক্সট্রা টাইমের খেলা। এক্সট্রা টাইমের দ্বিতীয়ার্ধে ১১৫ মিনিটের মাথায় মাঝমাঠ থেকে আসা ডিফেন্স চেরা থ্রু ধরে ডেনমার্ক বক্সে ঢুকে পড়েন রেবিচ। গোল রক্ষককে ড্রিবল করে নেওয়ার পর বক্সের ভেতর তাঁকে সরাসরি ল্যাং মারেন ডেনিস ডিফেন্ডার। পেনাল্টি পায় ক্রোয়েশিয়া। পেনাল্টি মারতে যান মড্রিচ। কিন্তু সেভ দুরন্ত সেভ করে দেন সেমিচেল।
অগত্যা খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। প্রথম শট মারতে যায় ডেনমার্ক। সেভ করে দেন ক্রোয়েশিয়ান গোলরক্ষক সুবাসিচ। আবার ক্রোয়েশিয়ার প্রথম শট সেভ করে দেন ডেন্মার্কের গোলকিপার। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শটে গোল করে দু'দলই। আবার দু'দলের চতুর্থ শট সেভ করে দেন প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক। ডেনমার্কের পঞ্চম সেভ করে খেলা নিজেদের অ্যাডভান্টেজে নিয়ে নেন ক্রোয়েশিয়ার আজকের ম্যাচের হিরো গোলরক্ষক সুবাসিচ। শেষ শট মারতে গিয়ে ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়িয়ে দেন র্যাকিটিচ। টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জিতে শেষ আটে পৌঁছে গেল ক্রোয়েশিয়া।
এ দিন আরও একবার প্রমাণ হলো, ফুটবলে গোলরক্ষক একটা টিমের কাছে কতখানি গুরুত্বপূর্ণ। প্রমাণ করলেন সেমিচেল এবং সুবাসিচ।