দ্য ওয়াল ব্যুরো : চলতি আইপিএলে বড় প্রশ্ন, আচমকা কী এমন হল কেকেআরের, যা তাদের কাছে আতঙ্ক বয়ে নিয়ে আসছে?
দলনায়ক বদল হল, কিন্তু সাফল্য তারপরেও আসছে কোথায়? এই প্রশ্ন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের। গত ম্যাচে ৮৪ রান সাকুল্যে করার পরে বলা হচ্ছে, দলটি কী আর ছন্দে ফিরবে না?
১০টি ম্যাচের মধ্যে ৫টিতে হার। প্লে অফের দৌড়ে রয়েছে ঠিকই, কিন্তু এই ফর্ম ধরে রাখলে ক্রমশ তারা নিচে নামবে। গত ম্যাচে দলের ওই পারফরম্যান্সের মধ্যে কোচ ব্র্যান্ডন ম্যাককুলাম একটি নোটবুকে কী লিখছিলেন। সেই নিয়ে তাঁকে রীতিমতো ট্রোল করা হয়েছে। বলা হয়েছে, তিনি নাকি পদত্যাগপত্র লিখছেন!
গত ম্যাচে কী এমন হল, যাতে একশোও করতে পারল না দল? যে দলে মরগ্যান, কার্তিকের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান রয়েছেন। এমনকি গিল, রানার মতো তরুণরা রয়েছেন, সেই দলের এমন হাল ভাবা যায় না।
মিডিয়া যেভাবে চেপে ধরেছে কোচকে, সেই নিয়ে মুখ খুলতেই হতো ম্যাককুলামকে। তিনি জানিয়েছেন, ‘‘আমার পিচ দেখে একবারও মনে হয়নি ওই পিচ খেলার মতো ছিল না। আমি মানছি সিরাজ সেদিন ভাল বোলিং করেছে, ঠিক জায়গায় বল রেখেছে। তার মানে এই নয় যে উইকেট খেলার মতো ছিল না। আমরা মনে হয় বেশি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম!’’
কেকেআরের কোচের অবাক লাগছে তিনি টিম মিটিংয়ে যা বলছেন, সবটাই মাঠে নেমে ভুলে যাচ্ছেন দলের ক্রিকেটাররা। সেই প্রসঙ্গে নাইট কোচের বক্তব্য, ‘‘আমি প্রতিটি টিম মিটিংয়ে বলে থাকি মাঠে নেমে নিজেদের মরিয়া ভাবটা ফুটিয়ে তোলো, কিন্তু আদতে তার কোনও প্রভাব দেখা যাচ্ছে না!’’
তিনি বরং আগামী ম্যাচের আগে দলের ক্রিকেটারদের সতর্ক করে দিয়েছেন। ম্যাককুলামের মতে, ‘‘দ্রুত আমাদের সমস্যাগুলি সন্ধান করে সেগুলি শুধরে মাঠে নামতে হবে, কারণ সামনে আরও কঠিন লড়াই অপেক্ষা করে রয়েছে।’’
কোহলিদের বিপক্ষে বড় হার কলকাতা সমর্থকদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, দুই ক্যারিবীয় সুনীল নারিন ও আন্দ্রে রাসেলের ওপর কতটা নির্ভরশীল দল। তাঁরা দুজন ওই ম্যাচে খেলতে পারেননি। কলকাতা শিবির সূত্রে খবর, রাসেলের পায়ের চোট এখনও সারেনি। নারিনের পায়ের পেশিতে হালকা টান ধরেছিল। যার শুশ্রূষা এখনও চলছে।
অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যান মেনে নিচ্ছেন, এই দুজনকে তাঁর দলের খুব দরকার। নাইটদের নয়া নেতা বলেছেন, ‘‘রাসেল ও নারিন দলে ফিরলে অনেকটাই হয়তো পরিবর্তন ঘটবে। ওদের মতো দুজন দলে না থাকাটা বড় পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।’’